শিরোনাম
চট্টলার ডাক ডেস্ক: | আপডেট: ১১:১৬ পিএম, ২০২১-০৪-২৬ 927
আইসিইউ
দেশে এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বাড়ছে আইসিইউ সংকট। ঢাকা, চট্টগ্রামের সরকারি কোভিড হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের জন্য কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই। সাধারণ কোভিড বেডে অক্সিজেন এবং হাই ফ্লো জোন দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগে প্রতি ১০ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে সর্বোচ্চ একজনের আইসিইউ প্রয়োজন হতো। এখন প্রয়োজন হয় তিন জনের। আর সংক্রমিত বড় একটি অংশের অক্সিজেনের মাত্রা শুরুতেই ৭০-৮০ ভাগে নেমে যাচ্ছে। স্বাভাকিভাবে এটা ৯৭ ভাগের উপরে থাকে। এবার করোনায় সিরিয়াস রোগীর সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আইসিইউর সংখ্যা। অথচ, রোগীও প্রতিদিনই বাড়ছে। আইসিইউ সাপোর্ট আগের চেয়ে বেশি লাগলেও আইসিইউ বেড কিন্তু বাড়েনি।
অনেক সময় রোগীর অবস্থা খুব ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও মেজর সার্জারির পর রোগীকে আইসিইউতে রাখা হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সুস্থ করে তুলতে বেশিরভাগ সময়েই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এ রাখা হয়। রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হলে আইসিউতে সবরকমের সাপোর্ট দিয়ে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনাই এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রোগীর যাবতীয় শারীরিক সঙ্কটের মোকাবেলার জন্য নানা জীবনদায়ী ব্যবস্থা থাকে। ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স ছাড়াও প্রত্যেক প্যারামেডিক্যাল স্টাফকেও বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এরা রোগীর ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখেন। দরকার হলেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সামাল দেন।
অনবরত হৃৎপিন্ডের গতিবিধি, শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ, শ্বাস-প্রশ্বাসের অবস্থা, সবকিছু অনবরত পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি কোনও রকম সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে সব রকমের সাপোর্ট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সঙ্কটাপন্ন রোগীদের বিপদমুক্ত করতে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের নানান ভাগ আছে। যেমন, সদ্যোজাতদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ‘নিকু’ বা ‘এনআইসিইউ’। সবে জন্মানো বাচ্চাদের অল্প ওজন থেকে শুরু করে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে জন্মানোসহ নানান শারীরিক ত্রুটি, শ্বাসকষ্ট, জন্ডিসসহ নানা সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সামলে দেয়া যায়। শিশুদের জিন্যে ‘পিকু’ বা ‘পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার’, ‘আইটিইউ’ বা ‘ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট’, ‘সিসিইউ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট’, ‘আইসিসিইউ’ বা‘ইনটেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিট’-এ যে কোনো সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে সামাল দেয়া হয়।
আফছার উদ্দিন লিটন: আইডিএফ ( ) কৃষি কর্মসূচির আওতায় বেতবুনিয়া শাখার অধীনে আদর্শ গ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রতি এক প্রাণবন্ত&nbs...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মমতা সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচির বিগত বছরের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান-বিডিপি অগ্রগতি পর্যালোচনা সভà...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: পাহাড়তলী সিসিএস কার্যালয় সংস্কার না হওয়ায় অফিসের সামনে ময়লার স্তূপ। এছাড়া দরজার উপরে থাকা কর্মকর...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: বাংলাদেশ রেলওয়ের পাহাড়তলী প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) কার্যালয় সংস্কার হওয়ার কথা থাকলেও সং...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: রেললাইন লাগোয়া ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণের আকিজ মটরস থেকে কৈবল্যধাম রেল স্টেশনের পেছà¦...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খোà...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak