আজ  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


নারীর প্রতি সহিংসতা ও পুরুষতন্ত্রঃ মুক্তির পথ কতদূর...

  চট্টলার ডাক ডেস্ক:   |   আপডেট: ১১:৫২ পিএম, ২০২০-১০-১৯    1294

 

নারীর প্রতি সহিংসতা ও পুরুষতন্ত্রঃ মুক্তির পথ কতদূর...

নারীর প্রতি সহিংসতা ও পুরুষতন্ত্রঃ মুক্তির পথ কতদূর...

সাদিয়া তাজিন

এক বৈরাগী বাইরের কাজ শেষে ঘরে এসে প্রতিদিন তার স্ত্রীকে চারটি প্রশ্ন করতেন। যেমনঃ ধার দিয়েছো? ধার শোধ করেছো?  লাউ গাছে জল দিয়েছো? জল ফেলেছো?
অর্থাৎ বৈরাগী তার স্ত্রীর কাছে জানতে চাইতো, ধার দেওয়া মানে ছেলেকে খাইয়েছে কিনা। ধার শোধ করা মানে gvকে খাইয়েছে কিনা। লাউ গাছে জল দেওয়া মানে নিজে খাইয়েছে কিনা। আর সবশেষে জলে ফেলা মানে হচ্ছে, কন্যাকে খাইয়েছে কিনা। এভাবে সেই গতানুগতিক প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা থেকেই নারীর প্রতি বৈষম্য, সহিংসতা, নির্যাতনের তালিকাটা দীর্ঘ হয়ে চলেছে। এই বৈষম্যের মূলে পরিবার এবং সমাজে নারীর অধঃস্তন অবস্থান এবং সেটারই দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়ে আসছে।
নারী শব্দটিও এভাবে নির্যাতন, সহিংসতা, শোষনের প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে। জ্ঞান বিজ্ঞান প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবর্তিত হচ্ছে সমাজ কাঠামো, বিকশিত হচ্ছে সভ্যতা। কিন্ত্ত‘ সমাজ থেকে আজো নারী চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক বিশ্লেষনের  কালির গোলা নিয়ে ব্যস্ততা কমলো না।
আসলে নারী পুরুষের বৈষম্যের বীজ মানুষের মস্তিষ্কে আদিকাল থেকেই বপন করা হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে নারী জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি নানাভাবে প্রতিহিংসা আর বৈষম্যের শিকার হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করছে তার হিসাব কে রাখে! বাংলাদেশেও যৌন নিপীড়ন , শারীরিক নিপীড়ন, খুন, ধর্ষY, বাল্য বিয়ে, যৌতুক, গৃহ দাসত্ব, এসিড নিক্ষেপ, পথে ঘাটে উত্যক্ত, অপহরণ, পাচার ও মানসিক সহিংসতার  শিকার হয়ে অনেক নারী দূর্বিণীত কাল অতিক্রম করে কখনো হত্যা, কখনো স্বেচ্ছা মৃত্যু বেছে নেয়। আবার কখনো বা এসব কষ্ট সহ্য করতে করতে নীল কন্ঠ হয়ে নীরবে নিভৃতে তিল তিল মৃত্যুর দ্বারে পৌঁছে যায়।
সম্প্রতি নারীর প্রতি সহিংসতায় নৃশংসতা, পাশবিকতার যেসব অপকৌশল যুক্ত হয়েছে আমাদের ব্যথিত ও বিহবল করে তুলেছে। পূর্বের অনেক ঘটনাগুলোকে ছাপিয়ে নতুন মাত্রায় নতুন ধরণ নিয়ে সহিংসতার খবরগুলো শিরোনাম হয়ে আমাদের সামনে আসছে। নোয়াখালির বেগমগঞ্জে মধ্য যুগীয় কায়দায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধুকে নিজ ঘরে ধর্ষণ চেষ্টায় বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনা ও উক্ত নারীর আহাজারি আমাদেরকে রীতিমত অস্বস্তিকর, শংকিত ও ভীতিকর করে তুলছে। এর পূর্বের ঘটনা যেমন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসরঘর সাজিয়ে প্রতিরাতে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হতো, এভাবে একশত ধর্ষণ  করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করা, সিলেটে দিবালোকে রামদা দিয়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে খাদিজাকে কুপিয়ে তার মাথা কয়েকভাগ করা, বরিশালের বানারিপাড়ায় মা-মেয়েকেএকসাথে ধর্ষণ  করে মাথা ন্যাড়া করা, সংরক্ষিত এলাকা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতরে তনুকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা , ঢাকায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা,৩ বছরের শিশুর যৌনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এসব কেমন বর্বরতা! এসবের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত অপরাধীদের কোনো সুষ্ঠ বিচার হয়নি। আর এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফলে কিংবা বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার ফলে নারীর প্রতি সহিংসতা ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

কোভিড ১৯ লকডাউনকালীন মনে করা হয়েছিল,পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিশ্বাস ও ভালোবাসা জাগ্রত হবে। করোনাকালে বিশ্বে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে  বেড়েছে, জাতিসংঘ একে কোভিড-১৯ এর ছায়া মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
করোনার এই ভয়াবহতার মধ্যে গত ১৭ এপ্রিল লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ১৬ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা সাড়া ফেলে দিয়েছিল। জানা গেছে, শুধু মার্চ মাসেই বগুড়া, জামালপুর ও কক্সবাজার জেলায় এমন ৩৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং পারিবারিক নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেছে তিন শতাধিক। বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর তথ্যমতে, এপ্রিল মাসে লকডাউন চলাকালে দেশের ২৭টি জেলায় ৪ হাজার ২৪৯ নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। যার মধ্যে ১ হাজার ৬৭২ জন নারীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা প্রথম। ৮৪৮ জন নারী তার স্বামীর দ্বারা নির্যাতিত এবং এর বাইরেও ধর্ষণ, নারী হত্যা, যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনা তো রয়েছেই। এপ্রিলের চেয়ে মে মাসে নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে ৩১ শতাংশ। ( প্রথম আলো, ৮ জুলাই, ২০২০)।   
 
 বাংলাদেশে নারীর ওপর সহিংসতার আরেকটি কারণ পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। নারীদের বিরুদ্বে সহিংসতার কারণ ব্যাখ্যায় অপরাধ বিজ্ঞানীয় নারীবাদী তত্ত্ব অনুসারে পুরুষশাসিত সমাজে পুরুষ নারীদের ওপর সর্বদা ক্ষমতা প্রদর্শন ও কর্তৃত্ব স্থাপন করতে চায়। লকডাউনের সময় পুরুষ বাইরে পেশা ও অন্য কাজে ব্যস্ত থাকার সুযোগ কম থাকায় গৃহে নারীদের প্রতি কর্তৃত্ব স্থাপন বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থায় সহিংসতার  শিকার অনেক নারী চাইলেও আইনের আশ্রয় নিতে পারে না। পরিবার ও সন্তানের কথা ভেবে অনেক নারীই এসব অত্যাচার সহ্য করেন বাধ্য হয়ে। ( বাংলা নিউজটোয়েন্টিফোর.৭ মে , ২০২০ )।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র’র তথ্য অনুসারে দেশে জানুয়ারী ২০২০-সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত  ধর্ষণ হয়েছে ৯৭৫ জন নারী, গণধর্ষণ হয়েছে ২০৮ জন নারী, ধর্ষণের পর হত্যা ৪৩ জন নারী, আত্নহত্যায় বাধ্য হয়েছেন ১২ জন নারী। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ১৬১ জন নারী, যৌন হয়রানির কারনে অপমান সইতে না পেরে আত্নহত্যা করেন ১২ জন নারী ও যৌন হযরানির কারনে প্রতিবাদ করতে গিয়ে নিহত হন ৩ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ।
গবেষনা বলছে, কৈশোর থেকে সদ্য তারুণ্যে পা দেয়া এই বয়সটিতে ক্ষমতা প্রদর্শনের এক ধরণের মানসিকতা এসব অপকর্মের জন্য দায়ী,  এই বয়সে নীতি নৈতিকতার শিক্ষায় পরিপক্ক হওয়ার কথা থাকলেও ওই তরুণদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ত্রূটি থাকায় তারা বিকৃতভাবে ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারে তরুন সমাজের একটি অংশ নৈতিক শিক্ষা থেকে ক্রমশ ছিটকে পড়ছে। নারীদেরকে অসম্মান ও দমন করার মানসিকতা থেকে ও এই ধরনের সহিংসতাগুলো বার বার ঘটছে।
দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের জন্য আইন রয়েছে।যেমন: বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭, যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩),  অ্যাসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২, ( সংশোধনী ২০১০), নারীর প্রতি সহিংসতা ( প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০, জাতীয় শিশু আইন ২০১৩, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১,নারী নির্যাতন প্রশমনে মাল্টি সেক্টরাল প্রোগ্রাম ইত্যাদি রয়েছে। তবু এই সহিংসতা থেমে নেই। ভালোবাসার অর্ধাঙ্গিনী, কন্যা, জায়া জননী কেউ যেন নারীত্বের আদর্শে বাঁচতে পারছে না।  জানা অজানা কত রকমের ঘাত, অপঘাত ঘটে যাচ্ছে নারীর জীবনে। নানা ধরণের নানা মাত্রায়  সহিংসতায় নারীত্বের আর্তনাদ ধারাবাহিকভাবে নারীদের কস্টার্জিত অর্জনগুলোকে নষ্ট করে দিচ্ছে।  
আইন কোনো শ্লোগান নয়। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হলে আইনের নিয়ম নীতি, বিধিমালা আদর্শ মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। বাস্তবে মানছে কজন! তবে কি আইন নারীর ক্ষমতায়নে লৌকিকতা! প্রান্তিক থেকে শহুরে শিক্ষিত কোন নারীই নিরাপদ নয়। তবে কি নারী স্বার্থ, কাম, মোহ, ভোগ্যপণ্য হয়েই থাকবে!। আইনে দেয়া আছে নারী পুরুষ সমঅধিকার। কিন্ত্ত চিন্তাভাবনার বিনির্মানে পুরুষতন্ত্রের  স্ববিরোধী আচরণ দুঃখজনক নয় কি! নারী কি তবে হিম শৈলের ভাসমান অংশ!
নারীর প্রতি সহিংসতা থেকে মুক্তির পথ কত দূর.আমরা জানি না। মুক্তির পথ অনুসন্ধান করতে ধর্ষক ও শোষকদলের প্রতি তীব্র ঘৃণা ও সমবেদনা জানাতে আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াই হাতে হাত ধরে অথবা মোমবাতি হাতে। এই প্রতিবাদে ধর্ষক, নিপীড়ক বা শোষকের কিই বা এলো গেল! কেননা তাদের অপকর্ম ঢাকতে ও মদদ যোগাতে এদের ক্ষমতা বলয়ের কর্ণধারদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতাদের ছায়া তো আছেই। আইনের শিকল আলগা করে হাজারো সহিংসতাকারী মুক্তি পেয়ে যায় আদালত থেকে। বিচার ব্যবস্থা ভিকটিম বান্ধব নয়। এ জায়গায কেউ অপরাধের দায় এড়াতে পারি না। সুবিচারের অনুপস্থিতি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ঘুস, দূর্নীতি ও রাজনৈতিক শক্তির বশ্যতা মেনে নেওয়া ইত্যাদি।

 প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা নারীর জন্য অনেক কঠিন কাজ। এজন্য আগে সহিংসতার মূলোৎপাটন করতে হবে। এজন্য করণীয় প্রথমতঃ শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা। পারিবারিক শিক্ষায় অবশ্যই ন্যায় অন্যায়ের ভেদ বুঝতে হবে। অপরাধকে অপরাধ বলে গন্য করতে শেখা। নিপীড়ক হতে পারে পিতা, হতে পারে ভাই, হতে পারে স্বামী বা অন্য কোনোভাবে পারিবারিক সম্পর্কযুক্ত কেউ। পারিবারিক শিক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার। যে শিক্ষা মানুষ হবার শিক্ষা দেয়। দ্বিতীয়তঃ  সামাজিক পরিবর্তনের জন্য সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রয়োজন। বুঝাতে হবে পুরুষ যেমন মানুষ, নারীও তেমনি একজন মানুষ। নারী পুরুষের আলাদা আলাদা জৈবিক দায়িত্ব পালন করার কারনে শারীরিক ভিন্নতা হয়। তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ কাজে ভিন্নভাবে সক্ষম। ফলে সক্ষমতার ভিন্নতাকে সম্মানের সাথে গ্রহন করে প্রত্যেকের আত্নসম্মানকে প্রতিষ্ঠিত করা। এজন্য নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরী। তৃতীয়তঃ প্রয়োজন নারী পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহনে বড় ধরনের প্রতিরোধ আন্দোলন, এডভোকেসি,পাস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা। দেখা যাবে, এই আন্দোলনে অনেকে বিপক্ষ শিবিরে আশ্রয় নেবে। তাদের মোকাবেলা করতে হবে। প্রতিটি আন্দোলনে পেশাগত ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে রাজনীতিকদের সদিচ্ছা ও সমাজকর্মীদের প্রচেষ্টার সমন্বয় থাকতে হবে। এপথে হয়ত নারীর প্রতি সহিংসতা নামক নোংরা অধ্যায়ের বিলোপ সাধন সম্ভব হবে।
বিবেচনা করুন, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। বাংলাদেশেও জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারী বিহীন কি জীবন চলবে! থমকে যাবে না প্রজন্মের পালাবদল!  


লেখিকাঃ কথা সাহিত্যিক ও উন্নয়নকর্মী  
 

 

   

 

রিলেটেড নিউজ

ডিকের হুশ কোথায়?

আফছার উদ্দিন লিটন: মধু দাদা ডিকে ঘোষ মাঝে মাঝে হারায় হুশ, হাসি-খুশির স্বভাব দোষ অসৎ হলেও খাই না ঘুষ। তাং-২৭ জুলাই ২০২...বিস্তারিত


ভালোবাসা জেগে থাক

আশীষ সেন দংশনে আছে বিষ তবু, ভালোবাসা জমে থাক। পাথর প্রতিমা সেথা প্রাণ বহমান, সারাক্ষণ পূজা তোমার স্মৃতির ...বিস্তারিত


ভিলেজ পলিটিক্স

আফছার উদ্দিন লিটন: সামসু। এক রহস্যময় মানুষ! আজব মানুষ। ভবঘুরে। উদাস। দেশ-দুনিয়া নিয়ে তার কোনো চিন্তা নেই। ভাবনা নেই। ...বিস্তারিত


The great pious farmer

আফছার উদ্দিন লিটন: The great pious farmer Afsar uddin liton ------------------- The farmer is the minister of state If the farmer lives, The country will live ; The gold crop burns in the ☀sun They are doing quite well.   Yet, What the farmer ge...বিস্তারিত


No more war, no more unrest

আফছার উদ্দিন লিটন: The world is becoming unfamiliar day by day, just war and war around! This war is either a war on terror,  a war on terror,  a war on oil exploitation. This war is the war of economy, this war is the war of oil plunder. This is a war to w...বিস্তারিত


আফছার উদ্দিন লিটন সম্পাদিত প্রবন্ধ সিরিজ-১

আফছার উদ্দিন লিটন: আসিতেছে রিডার্স পাবলিকেশন্স থেকে আফছার উদ্দিন লিটন সম্পাদিত প্রবন্ধ সিরিজ-১ । এ গ্রন্থে ১০ জন ল...বিস্তারিত