শিরোনাম
আফছার উদ্দিন লিটন: | আপডেট: ০৬:৫৭ পিএম, ২০২৬-০৮-১৮ 34
রেললাইন লাগোয়া ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণের আকিজ মটরস থেকে কৈবল্যধাম রেল স্টেশনের পেছন পর্যন্ত জায়গা বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ নিয়ে বছরের পর বছর ভাড়া বাণিজ্য করে আসছে ভূমিদস্যু চক্র। এতে ব্যক্তির লাভ হলেও রেলের কোনো লাভ হচ্ছে না। লাভ হচ্ছে না পাহাড়তলী রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) কার্যালয়ের বিভাগীয় বিদ্যুৎ প্রকৌশলী দপ্তরের। লাভ হচ্ছে না পাহাড়তলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের রেল লাইন সংলগ্ন রেলের ওই জায়গাগুলোতে মো. হোসেন হীরন, জহিরুল আলম জসিম, মো. ফিরোজ, নেছার আহমেদ, মো. মহি উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন, নবী হোসেন দুলাল, পশ্চিম ফিরোজ শাহ কলোনির পাতি আওয়ামী নেতা মৃত আজিম, আবুল হাসান সৈকত, মো. আলম প্রকাশ মুরগী আলম, আবুল কালাম আবু, শহীদুল ইসলাম বাবু, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী আজাদ, দুলাল ভুঁইয়া, মোশাররফ ভুঁইয়া পলাশ, শহীদুল ইসলাম কচি, শামসুল আলম তৌহিদ, নুরুল কবির, মো. জাফর, সৈয়দ আবদুল হাদী, খোকন চৌধুরী, আফতাব উদ্দিন রুবেল, কেএম আবদুল কাইয়ুম, কেএম শাহজালাল টিপু, জহিরুল ইসলাম সহ বেশ কিছু ব্যক্তি রেলের জায়গা বহু বছর ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছেন।
শুধু তাই নয়, রেললাইন লাগোয়া ওই জায়গায় পাহাড়তলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অনুমোদন ব্যতীত অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বছরের পর বছর সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি উক্ত দখলকৃত জায়গার পাশে অবাধে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য বিক্রিও চলে প্রকাশ্যে। এতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এলাকার যুব সমাজ বিপথগামী হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাহাড়তলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান বলেন “ ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণ থেকে কৈবল্যধাম রেলস্টেশনের পেছনে এবং এর সংলগ্ন রেলের জায়গায় অবৈধ দখলদার জহিরুল আলম জসিম, মো. হোসেন হীরন, নেছার আহমেদ, আফতাব উদ্দিন রুবেলসহ যেসব ভূমিদস্যু অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখবো।”
ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণ থেকে কৈবল্যধাম রেলস্টেশন এলাকার আশেপাশে এবং রেলস্টেশনের পেছনের বেদখল জায়গার অবৈধ স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাহাড়তলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন বলেন - “ রেলের অবৈধ স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলে রেলের এস্টেট বিভাগ কিংবা রেলের বিদ্যুৎ প্রকৌশল বিভাগ আমাদের চিঠি দিয়ে সহায়তা চাইলে আমরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবো।”
রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনায় বিদ্যুতের কিছু মিটার থাকা এবং অবৈধ মিটারকে বৈধতা দেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন - “মিটার থাকলে আমরা অনেকটা বৈধ বলতে পারি! “ রেলের জায়গায় লীজ ব্যতীত আপনার সংস্থার লোকজন কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় মিটারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন “ এ বিষয়টি দেখতে হবে। মিটার রেলের জায়গায় হলেও গ্রাহকের মিটার থাকলে আমরা বৈধ বলতে পারি। এছাড়া আমাদের কার্যালয়ে বিদ্যুতের মিটার পাওয়ার বিষয়ে সিটিজেন চার্টারে উল্লেখ এবং বিধি-বিধান রয়েছে। ওই আলোকে চেক করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ হলে রেলের জায়গা হলে রেল উচ্ছেদ করবে। সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের জায়গা হলে সওজ উচ্ছেদ করবে। “
বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম বলেন “ ওই জায়গায় অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে রেলের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের বিষয়টি আমাদের নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক। উক্ত জায়গায় অতি শিগগিরই উচ্ছেদ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। “
ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণ থেকে কৈবল্যধাম রেলস্টেশনের পেছন পর্যন্ত রেলের অবৈধ স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগ এবং মিটার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন - “ অবৈধ স্থাপনায় রেলের বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টি বিভাগীয় বিদ্যুৎ প্রকৌশলী দপ্তর দেখে থাকে। “ উক্ত জায়গায় রেলের ভূ-সম্পত্তি (এস্টেট) বিভাগ মাসোহারা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন “ ওই জায়গায় রেলের এস্টেট বিভাগের কোনো কর্মকর্তা -কর্মচারী জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। "
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলেন “ ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণ থেকে কৈবল্যধাম রেলস্টেশন পর্যন্ত যে অবৈধ দখলদার রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি কিংবা সচেতন সমাজ অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নেব।”
আফছার উদ্দিন লিটন: আইডিএফ ( ) কৃষি কর্মসূচির আওতায় বেতবুনিয়া শাখার অধীনে আদর্শ গ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রতি এক প্রাণবন্ত&nbs...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মমতা সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচির বিগত বছরের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান-বিডিপি অগ্রগতি পর্যালোচনা সভ...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: পাহাড়তলী সিসিএস কার্যালয় সংস্কার না হওয়ায় অফিসের সামনে ময়লার স্তূপ। এছাড়া দরজার উপরে থাকা কর্মকর...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: বাংলাদেশ রেলওয়ের পাহাড়তলী প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) কার্যালয় সংস্কার হওয়ার কথা থাকলেও সং...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খো...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak