শিরোনাম
আফছার উদ্দিন লিটন: | আপডেট: ০৯:০৯ পিএম, ২০২৬-০৭-০৩ 16
আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খোলা থাকা সত্ত্বেও এক বছরের বেশি সময় ধরে করোনার অজুহাতে স্কুল-কলেজ না খোলার রাজনীতি। সরকারি ত্রাণ লুটপাটের রাজনীতি। হঠাৎ লকডাউন দেওয়ার রাজনীতি। ফেনী নদীর পানি নিয়ে রাজনীতি। তিস্তার পানি নিয়ে রাজনীতি। বই মেলা নিয়ে রাজনীতি। দুদক নিয়ে রাজনীতি। সীতাকুন্ডের শিপ ব্রেকিং নিয়ে রাজনীতি। আকবরশাহ থানাধীন এনআরজে কমপ্লেক্সের জাল দলিল চক্রের সদস্য জানে আলম, লেংড়া আজম খান, খাজা নাজিম উদ্দিনকে নিয়ে রাজনীতি। সরকারি নালার উপর এনআরজে কমপ্লেক্স নিয়ে রাজনীতি। এনআরজে কমপ্লেক্স এবং চসিকের দুদক নিয়ে রাজনীতি। চসিক এবং দুদককে নথি পেন্ডিং রাখার জন্য মাল-পানি দিয়ে রাজনীতি। স্টার মার্কের পতিতা হোটেল নিয়ে রাজনীতি। হোটেল নীল নিয়ে রাজনীতি। হোটেল ফোর স্টার নিয়ে রাজনীতি। হোটেল সারাক্ষণ নিয়ে রাজনীতি। হোটেল সারাবেলা নিয়ে রাজনীতি। ফয়েস লেকের হোটেল নিয়ে রাজনীতি। মদ বোতল তাহেরকে রাজনীতি। লম্পট তাহেরকে নিয় রাজনীতি। লুইচ্চা তাহেরকে নিয়ে রাজনীতি। তেল মারার রাজনীতি। দালাল ভরা রাজনীতি। জনগণের পকেট কাটার রাজনীতি। শোষণের রাজনীতি। গরিবের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়ার রাজনীতি। মোদি নিয়ে রাজনীতি। জসিম-ওয়াসিম-দিদার নিয়ে রাজনীতি। তাহের-মনুজর নিয়ে রাজনীতি। হাতির খোকন নিয়ে রাজনীতি। নব্য লাল সালু নিয়ে রাজনীতি। মাজার নিয়ে রাজনীতি। মাদক নিয়ে রাজনীতি। বদি নিয়ে রাজনীতি। নষ্ট সমাজ নিয়ে রাজনীতি। দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করার রাজনীতি। যোগ্য জায়গায় অযোগ্য লোকের রাজনীতি। নষ্টদের নিয়ে রাজনীতি। ভারত নিয়ে রাজনীতি। পাকিস্তান নিয়ে রাজনীতি। খেলার মাঠ দখল নিয়ে রাজনীতি। পুকুর, দিঘি ভরাট করার রাজনীতি। পাহাড় কাটার রাজনীতি। বন জঙ্গল উজাড় করার রাজনীতি। একাধিক সরকারি প্লট-ফ্ল্যাট পাওয়া নিয়ে রাজনীতি। তাহের মনজুরের দৌরাত্মে অস্তিত্বহীন কাল্পনিক ভুয়া নাম ও ঠিকানা দিয়ে লুৎফুন নাহার, মিন আরা বেগম, মুরাদ খান গংয়ের বেআইনিভাবে সরকারি প্লট পাওয়ার রাজনীতি। দুদকের গণশুনানি নিয়ে রাজনীতি। কাট্টলী ভূমি অফিসে দালাল চক্র নিয়ে রাজনীতি। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানোর রাজনীতি। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়ার রাজনীতি। টেন্ডার ব্যবসা নিয়ে রাজনীতি। প্রশাসন নিয়ে রাজনীতি। দেশটা সুবিধাবাদীরা অস্থিতিশীল করেই যাচ্ছে। না খেয়ে মরছে হতদরিদ্র আর দিনমজুররা। বন্ধ হোক এমন অপরাজনীতি। এমন অপরাজনীতি দেশের জনগণের স্বার্থে বন্ধ করা যায় না?
-সরকার আবার বন্ধ করবে! সরকার যেখানে জনগণের উপর করের বোঝা, ট্রেড লাইসেন্সের বোঝা, হোল্ডিং টেক্সের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে--সেখানে সরকার আবার সাধারণ জনগণের সুখ-শান্তির ক থা ভাববে? পাগলের প্রলাপ হয়ে গেলো না?
-আসলে এ বিষয়টি আমি আগে ভেবে দেখেনি। সরকার যে হারে ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং টেক্সে ও আয়করের হার বছরে বছরে যেভাবে বৃদ্ধি করছে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির লোকদের পেন্ট খোলার অবস্থা হয়েছে!
-সরকারও চায় জনগণ পেন্ট খোলে রাস্তায় নামুক। পেন্ট খোলে রাস্তায় রাস্তায় পাগলের মতো ঘুরে বেড়াক!
-সরকারের যদি এমন উদ্দেশ্যে থাকে--তাহলে আমি বলবো সরকার জনবান্ধব নয়। সরকারকে আগে জনবান্ধব হতে হবে। জনগণের মন জয় করতে হবে। সরকার যেনো জনগণের বিরক্তির কারণ হয়ে না দাঁড়ায় ওই বিষয়টি সরকারের মাথায় রাখা উচিৎ।
-জনগণ যদি খেয়ে-পরে বাঁচতে না পারে কিংবা জনগণের আয়ের চেয়ে ব্যায় বেশি হয় তাহলে সাধারণ জনগণতো সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ হবেই!
-সরকার শুধু প্রশাসনের লোকজন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে কিন্তু বেসরকারি কর্মকর্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কোনো সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে না?
-কেন? এরা রাষ্ট্রের নাগরিক নয়!
-হ্যাঁ, নাগরিক। সরকার হয়তো তাদের রোহিঙ্গা ভেবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রেখেছে!
-বঞ্চিত রাখবে কেন? সরকারের উচিৎ সবাইকে সমানভাবে দেখা।
-এটা সরকারের ইচ্ছা!
-কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হলে তো সাধারণ জনগণ আগে সরকারকে ভোট দিবে!
-ধনীরা পল্টি মারতে পারে কিন্তু গরিবরা সরকারের সাথে পল্টি মারবে না!
-সরকার-সাধারণ জনগণ, বিশ্বব্যাংক, বিএনপি ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনুসের ওপর ক্ষুব্ধ!
- কেন এবং কি কারণে সরকার তাদের ওপর ক্ষুব্ধ?
-বিশ্বব্যাংক এবং ওরা বর্তমান সরকারকে পদ্মাসেতু করতে দেয়নি ওই কারণে।
-তাই বলে সরকার গরিব, অসহায় সাধারণ জনগণের ওপর এর ঝাঁঝ তুলবে--প্রতিশোধ নেবে! এটাতো হতে পারে না?
-এটাই হচ্ছে। এটাই সত্য। যে কারণে সরকার সাধারণ জনগণকে পাত্তা দেয়না! সরকারের হয়তো সাধারণ জনগণের দরকার নেই।
-তা হতেই পারে। সরকারের সাধারণ জনগণের দরকার হলে আর তাদেরকে কষ্ট দিতো না! দ্রব্যমূল্যর দাম বাড়াতো না। দফায় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতো না। দফায় দফায় কিংবা বছরে বছরে ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং টেক্সে ও আয়করের মূল্যহার বাড়াতো না।
-হ্যাঁ, তাইতো। এ বিষয়ে আমি তোমার সাথে একমত।
-অথচ, দেশের কতো দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী, ঋণখেলাপি, এমপি, মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদরা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে। সুইজারল্যান্ডের সুইস ব্যাংকে, কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, এমেরিকা ও ভারতের ব্যাংকগুলোতে এসব দুর্নীতিবাজদের টাকা পয়সার অভাব নেই। এসব দেশে তাদের গাড়ি, বাড়ি ও নারী রয়েছে। সরকার কিন্তু তাদেরকে ধরে না?
-আজব শেখ হাসিনা সরকার তো! যারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, সরকার তাদের ধরে না। সরকার ধওে গরিব চোরদের! সরকার আছে শুধু গরিব মানুষকে শোষণ করার তালে!
-তুই দোস্ত সত্য বলেছিস! সরকার এমনটা করছে। জানি না সরকার সাধারণ মানুষের ওপর এতা ক্ষুব্দ কেন?
-হ্যাঁ, আমারও সেই কথা। পাঁচ হাজার, দশ হাজার টাকার চোরদেও না ধরে সরকারের উচিৎ বড় বড় চোরদের ধরা।
-তোর/তোমার কি মনে হয় সরকার বড় বড় চোরদের ধরবে?
--------------
#বউ #নিয়ে #রাজনীতি # আফছার# উদ্দিন #লিটন #
#মন্তব্য#এটি# একটি# রম্যরচনা#তবে #এটি #এনআরজে# কমপ্লেক্সের# উপন্যাসে #যাবে#
আফছার উদ্দিন লিটন: নগরীর পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘি জামে মসজিদের সামনে আইল্যান্ডের মাঝখানে দেখা যাচ্ছে চসিকের কিছু পকেট...বিস্তারিত
চট্টলার ডাক ডেস্ক: আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সেলিম, সমাজকর্মী রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী । চট্টগ্রামের প্রাচীন ...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: # আর কতো ফুটফুটে নিস্পাপ রামিসার মৃত্যু হলে এ রাষ্ট্র এবং বিচার ব্যবস্থা সংস্কার হবে? ★আর কতো রাম...বিস্তারিত
চট্টলার ডাক ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের বাজার সংযোগ ও টেকসই প্রদর্শনী ২০২৫ অনু...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মধু দাদা ডিকে ঘোষ মাঝে মাঝে হারায় হুশ, হাসি-খুশির স্বভাব দোষ অসৎ হলেও খাই না ঘুষ। তাং-২৭ জুলাই ২০২...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak