শিরোনাম
চট্টলার ডাক ডেস্ক: | আপডেট: ০৬:৩৬ পিএম, ২০২৬-০৬-২০ 42
আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সেলিম,
সমাজকর্মী রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী । চট্টগ্রামের প্রাচীন ব্যবসা বাণিজ্যের অন্যতম সিডিএ পাহাড়তলী মার্কেট বণিক কল্যাণ সমিতির তিনি বর্তমান সভাপতি । দীর্ঘ বহু বছর ধরে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত রয়েছেন । চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের তিনি একজন প্রভাবশালী সদস্য ।
আব্দুস সাত্তার সেলিম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন গত চার দশক ধরে ।
চট্টগ্রামের প্রাচীন রেলওয়ে জংশন এবং রেলওয়ে কেন্দ্রিক বিভিন্ন সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে যে সকল ব্যক্তি নানান সময়ে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করেছেন তিনি তাঁদের মধ্যে একজন ।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নয় নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের পুরনো এবং সচেতন একজন সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সেলিমের রয়েছে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ।
৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা সেগুলোর সমাধান এবং আগামীতে সমাজ ভাবনায় আব্দুস সাত্তার সেলিমের করণীয় এবং তার সার্বিক চিন্তা নিয়ে সাপ্তাহিক চট্টলার ডাক পত্রিকার সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে বিভিন্ন প্রসঙ্গ ।
নিজের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে বসে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি নানা বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন ।
যার সারসংক্ষেপ তুলে ধরার চেষ্টা করছি ।
_________
সত্তরের দশকের শেষের দিকে প্রগতিশীল ধারার রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে আব্দুস সাত্তার সেলিম চট্টগ্রামের ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলীতে নিজের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন নাগরিক সুবিধার নিশ্চিত করা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সাথে নিয়ে একটি সুখী সমৃদ্ধ সমাজ গঠন করার লক্ষ্যে তিনি গত ৪০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন ।
ব্রিটিশ আমল থেকেই চট্টগ্রামের প্রাচীন জনপদ উত্তর পাহাড়তলী একটি রেল সংশ্লিষ্ট এলাকা হিসেবে ইতিহাসে প্রসিদ্ধ এবং পরিচিত । নানা ধরনের সম্ভাবনা এবং সমস্যায় জর্জরিত এই ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী এলাকা বিভিন্ন সময়েই আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে ।
আব্দুস সাত্তার সেলিম সমস্ত প্রতিকূলতা এবং অসংখ্য জটিলতা এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনের মধ্যেও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন দীর্ঘকাল ধরে ।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড সুদীর্ঘ কাল ধরে নানা ধরনের সমস্যা এবং জটিলতায় নিমজ্জিত, আব্দুস সাত্তার সেলিম তাঁর এলাকার সকল ধর্মের সকল রাজনৈতিক আদর্শের এবং মতবাদের মানুষদেরকে নিয়ে সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছেন একটি সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন পরিপাটি ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড উপহার দেয়ার জন্য ।
চট্টলার ডাক'র সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি একসময় ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত পাহাড় ধস এবং জলাবদ্ধতার বিষয়টি সোচ্চার কণ্ঠে উচ্চারণ করেন ।
তাঁর এলাকায় একটি বিশাল সমস্যা হিসেবে দেখেন ভূমিদস্যুতা এবং পাহাড় কাটা সমস্যা কে । তিনি বারবার আক্ষেপ ভরা কণ্ঠে এবং ক্ষুব্ধ হয়ে বলতে থাকেন এলাকার বিভিন্ন ভূমিদস্যদের কথা । নিজের ৪০ বছরের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পুরোটাই তিনি ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের জনগণ এবং সমাজের সঙ্গে কাটিয়েছেন বলে জানান ।
৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও আব্দুস সাত্তার সেলিম বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন । তিনি বলেন ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতার কথা, উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে আরো সচেষ্ট হতে হবে বলে সব মহল কে তিনি এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান ।
এলাকার শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং প্রসারে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের বরেণ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে যাতে করে একটি আদর্শ ৯ নাম্বার পাহাড়তলী ওয়ার্ড গড়া যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।
চট্টলার ডাকের সাথে খোলামেলা আলোচনায় তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিয়ে নিজের অভিমত তুলে ধরেন, তিনি জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে আরো বেশি গতিশীল এবং কর্ম উপযোগী এবং শক্তিশালী জনবল দিয়ে পুনর্গঠন করা জরুরি । সিটি কর্পোরেশনের ক্ষমতা এবং তার ব্যাপ্তিকে আরো বেশি পরিশীলিত করার উপর তিনি জোর দেন । নগর পরিকল্পনা এবং নগর ব্যবস্থাপনায় আরো বেশি মনোযোগী এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের বলে তিনি মত দেন ।
সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দক্ষতার পাশাপাশি তাদের ব্যক্তি মানসিকতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার উপরেও জোর দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাবেক নির্বাচিত কাউন্সিলর আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সেলিম । ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের পাঁচ বছরের সময়কালে তিনি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ছিলেন । চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগের সদস্য ছিলেন । শিক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন । প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির একাডেমিক কাউন্সিলেরও সদস্য ছিলেন আব্দুস সাত্তার সেলিম ।
এলাকার জনগণের প্রত্যক্ষ মত এবং ভোটে যিনি নির্বাচিত হয়ে আসবেন তিনি ওই এলাকার উন্নয়ন এবং জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধনে নিজেকে নিয়োজিত করবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি ।
২০২৪ এর রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয় পট পরিবর্তনের পরে পরিবর্তিত এই রাজনৈতিক অবস্থায় এবং আব্দুস সাত্তার সেলিমের নিজ আদর্শিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ক্ষমতায় আসীন থাকাকালীন সময়ে তিনি নিজ দল এবং দলীয় আদর্শ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন । তিনি বলেন বিএনপি তথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যে অবস্থা এবং প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল সেটি এখন আর নেই । জেনারেল জিয়াউর রহমানের আদর্শিক জায়গাটা এখন আর চর্চিত হয় না বলেও তিনি আক্ষেপ করেন ।
দলীয় বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার একটি কথার উপরে জোর দেন, সেটি হলো মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালা ও আলোচনা পর্যালোচনা করে দলের ভিত্তি এবং দলীয় নেতা কর্মীদের আদর্শিক জায়গাকে আরো দৃঢ় এবং শক্তিশালী করা ।
সিটি কর্পোরেশনের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সমন্বিতভাবে ওয়ার্ড ভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণের উপর তিনি জোর দেন এবং এটির কোন বিকল্প নেই বলেও মত দেন ।
আব্দুস সাত্তার সেলিম তাঁর রাজনৈতিক জীবনে দুই দুবার অন্য রাজনৈতিক মহল থেকে হাতছানি পেয়েও সেটিতে সাড়া দেন নি, এক কথায় বলতে গেলে বলা যায় আদর্শিক জায়গা থেকে তিনি খুবই পরিষ্কার চিন্তার অধিকারী এবং অত্যন্ত সাবলীলভাবে সেটি ধারণ ও লালন করেন ।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি খুবই আক্ষেপের সুরে একটি কথা বলেন আমাদের দেশের রাজনৈতিক কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয় ঠিকই কিন্তু আমাদের সিস্টেমগুলোর কোন পরিবর্তন হয় না । যার কারণে আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তেমন কোনো পরিবর্তন হয়না । সচেতন মহলের মানুষ হয়েও আমরা কখনো সেসব দেখতে পাই না ।
চট্টলার ডাকের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি আগামীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না,
তিনি এ বিষয়ে সরাসরি এবং অত্যন্ত সুন্দর সাবলীলভাবে এই প্রশ্নের জবাব দেন । তিনি বলেন আমার এলাকার জনগণের জন্য তারা যে ধর্ম যে বর্ণ এবং যেই পক্ষের লোকই হোক না কেন সবসময়ই আমি নিবেদিত থাকার চেষ্টা করেছি ।
তারা যদি আমাকে তাদের একজন সেবক হিসেবে চায় তাহলে অবশ্যই আমি ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রাখি ।
আব্দুস সাত্তার সেলিম এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বারবার জোরালোভাবে একটি কথা উচ্চারণ করেন যে ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ভূমিদস্যু যে চক্রটি রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে তাঁর সোচ্চার অবস্থান আরো পরিষ্কার হবে পাশাপাশি পাহাড়তলী ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন । ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসা এবং এর ক্ষতিকর সম্প্রসারণ এর বিষয়টি তিনি বারবার উল্লেখ করেন । এলাকায় মাদক সেবীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন । তিনি এ সময় উল্লেখ করেন ২০১০ থেকে ২০১৫ সময়ের পাঁচ বছর তিনি কাউন্সিলর থাকাকালীন সময়ে সেই সময়কার আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা পার করেও নানান রকম কাজ তিনি সফলতার সাথে করেছেন, পাঁচ বছর তিনি সকল ধর্ম বর্ণের লোকের সাথে তাঁর সুন্দর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এই সময় ।
সমন্বিত এবং মেধা ভিত্তিক চিন্তা ও প্রকল্প সৃজনের মাধ্যমে একটি আদর্শিক ৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কিভাবে গড়া যায় তার রূপরেখা নিরূপণে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন আব্দুস সাত্তার সেলিম ।
৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের একটি বড় ও জটিল সমস্যা হচ্ছে সেখানকার কবরস্থানের সমস্যা ও মৃত ব্যক্তিদের সৎকার ব্যবস্থাপনা । আব্দুস সাত্তার সেলিম এই বিষয়টির উপর বিশেষ জোর দেন এবং এটি সমস্যা সমাধান কল্পে তিনি সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন বলে জানান ।
আব্দুস সাত্তার সেলিম জানান পাহাড়তলী ওয়ার্ডের একটি বড় সমস্যা পাহাড় কাটা ও ভূমিদস্যদের আস্ফালন । তিনি বরাবরই ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং পরিষ্কার বলে চট্টলার ডাক' কে আশ্বস্ত করেন ।
৯ নাম্বার উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সুপেয় পানির সমস্যা অত্যন্ত প্রকট । যার আশু সমাধানে তিনি ভূমিকা রাখতে চান বলেও জানান ।
সমাজের সচেতন এবং দেশ প্রেমিক জনগণকে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে এবং পাহাড় কাটা রোধে এগিয়ে আসার জন্য উদাত্ত আহবান জানান আব্দুস সাত্তার সেলিম ।
ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত মৃদুভাষী এবং সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত আব্দুস সাত্তার সেলিম সব সময়ই কথা ও কাজে বিশ্বাসী বলে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান এলাকার জনগণের কাছে ।
একজন ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুস সাত্তার সেলিম আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ এবং প্রগতিশীল চিন্তা চেতনার ধারক ও শুদ্ধ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশে সাবলীল কণ্ঠস্বর ।
৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সর্বজন শ্রদ্ধেয় এবং সামাজিক ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয় আব্দুস সাত্তার সেলিম ব্যক্তি জীবনে বিবাহিত এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক ।
তাঁর আদি নিবাস বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় হলেও তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিবারের একজন সন্তান হিসেবে উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডেই বেড়ে উঠেছেন এবং এখানেই তাঁর শিক্ষা ও রাজনৈতিক সামাজিক জীবন গড়ে তুলেছেন ।
( ১৩ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , সন্ধ্যায় তাঁর নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বসে এই সাক্ষাৎকার নেয়া হয় )
সাক্ষাৎকার গ্রহণ : এ্যালেন ভট্টাচার্য অনিক
আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খো...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: নগরীর পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘি জামে মসজিদের সামনে আইল্যান্ডের মাঝখানে দেখা যাচ্ছে চসিকের কিছু পকেট...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: # আর কতো ফুটফুটে নিস্পাপ রামিসার মৃত্যু হলে এ রাষ্ট্র এবং বিচার ব্যবস্থা সংস্কার হবে? ★আর কতো রাম...বিস্তারিত
চট্টলার ডাক ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের বাজার সংযোগ ও টেকসই প্রদর্শনী ২০২৫ অনু...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মধু দাদা ডিকে ঘোষ মাঝে মাঝে হারায় হুশ, হাসি-খুশির স্বভাব দোষ অসৎ হলেও খাই না ঘুষ। তাং-২৭ জুলাই ২০২...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak