আজ  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


ভিলেজ পলিটিক্স

  আফছার উদ্দিন লিটন:   |   আপডেট: ০৭:০৯ পিএম, ২০২৫-০৯-১৭    70

 

ভিলেজ পলিটিক্স

সামসু। এক রহস্যময় মানুষ! আজব মানুষ। ভবঘুরে। উদাস। দেশ-দুনিয়া নিয়ে তার কোনো চিন্তা নেই। ভাবনা নেই। ভ-। গায়ে পরিধান করে থাকে বিভিন্ন কালারের জুব্বা। মাথায় মাইজভাণ্ডারি সবুজ টুপি। নামাজ-কালাম পড়ে না। কিন্তু ইসলামের বেশভুষা ধরেছে ভালো। ভ-ামিও চমৎকার করতে পারে। মাঝে মাঝে স্থানীয় মঈনুদ্দীন শাহ মাজার এবং আকবরশাহ মাজারে গিয়ে পড়ে থাকে। সময়জ্ঞান নেই। সংসারের প্রতি উদাসীন। ওই মাজারে গিয়ে কি যেন জপতে থাকে। তার ভাই-বোনদের হয়তো অভিযোগ কিংবা অভিশাপ দিচ্ছে। নয়তো খোদার কাছে কিছু চাইছে। সে নিজেই অভিশপ্ত!

নামাজ-কালাম না পড়ে মাজারে মাজারে গিয়ে পড়ে থাকলে হবে? কাজ করতে হবে না? সংসারে সময় দিতে হবে না? এসবের সে কোনো কিছু তোয়াক্কা করে না। শুধু ঘুরে। বিভিন্ন এলাকায় নয় তো লোকালয়ে ঘুরে। কাজ না করে মানুষের কাছে হাত পাতে। 
সামসু ছিল মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান। তাঁর পিতার কোনো কথা সে শুনতো না। তাঁর পিতা তাকে শত চেষ্টা করেও মানুষ বানাতে পারলো না! সেদিকে তার পিতা ব্যর্থ। পারবে কিভাবে? সেতো পড়ালেখায় অমনোযোগী ছিলো। ডানপিটে ছিলো। শুধু দুষ্টামি করতো। পড়ালেখা করতো না। তাঁর পিতার আশা সে ভঙ্গ করলো। তাঁর পিতার স্বপ্ন ছিল সে-মেট্রিক পাস করবে। উচ্চশিক্ষিত হবে। বিদেশ যাবে। নয়তো দেশে ভালো কোনো চাকরি করবে। তা আর হলো কোথায়। তার পিতার সে স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। সে আন্ডার মেট্রিকেই থেকে গেলো। কারণ, কাট্টলি স্কুলে পড়ার সময় সে খুব দুরন্ত ছিল। উড়নচন্ডি ছিল। ওই দুরন্তপনা এবং পড়ালেখায় অমনোযোগিতা তার সাফল্যের পথে জীবনে প্রথম বাধা। 


সামসুর বয়স যখন বিশ থেকে পঁচিশ-সে তখন খুব স্মার্ট হতে লাগলো। রোমান্টিক হতে লাগলো। সে সময় তাদের পৈত্রিক টেইলারিং ব্যবসা ছিল। ওই টেইলারিংয়ের দোকানে সে মাঝে মাঝে বসতো। দোকানে ভিতর ফিরোজশাহ এলাকা থেকে বিলকিস নামে একটি মেয়ে আসতো। দোকানেই বিলকিসের সাথে তার প্রথম পরিচয়। প্রথম দেখা। বিলকিস দেখতে বিদঘুটে কালো।
বিলকিসের পৈত্রিক বাড়ি সন্দ্বীপে। বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ে তাদের বাড়িঘর বহু আগে বিলীন হয়েছে। তাই বিলকিস তার মা এবং ভাই-বোনদের নিয়ে ফিরোজশাহতে থাকতো। বিলকিস খুব লোভী ছিল। সামসুদের পৈত্রিক সম্পত্তি দেখে সে লোভে পড়ে যায়। এবার সে সিদ্ধান্ত নেয় সামসুর সাথে প্রেম করবে। প্রেম করতে হলে তো সামসুদের টেইলারিং দোকানে যেতে হবে। সামসুর সাথে পরিচয় হতে হবে। ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে হবে।

ঠিক এক সপ্তাহ পরে বিলকিস আসলো সামসুর দোকানে। তার সাথে পরিচয় হলো। এভাবে যেতে যেতে বিলকিসের সাথে সামসুর প্রণয় হয়ে গেলো। বিলকিস যেহেতু অভাবী-তাদের সংসারে আয়-রোজগার করার উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। তাই সে ইপিজেডের কোনো এক বিদেশী গার্মেন্টেসে চাকরি নেয়। তবে সে চাকরি করলেও সামসুর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চাকরি শেষে দু’জনার দেখা হতো তাদের দোকানে। নয়তো কোনো স্থানে। নয়তো কোনো নির্জন স্থানে। 

এর পরের স্টেপ আরও চমকপ্রদ। বিলকিস সামসুকে নিয়ে নতুন নতুন ফাঁদ তৈরি করে। তার ফাঁদের উদ্দেশ্য সামসুকে বিয়ে করে তাদের কিছু সম্পত্তি দখল করা। এদিকে সামসুর পরিবর্তন দেখে তার মা-বাবা চিন্তায় পড়ে গেল। যে ছেলে ছিল আগে চঞ্চল। সে এখন চুপচাপ। বোদাই হয়ে গেল। বুঝলাম না। তার কি হয়েছে? কোনো সমস্যা?

এ নিয়ে তাঁর পিতা গোয়েন্দাগিরি করতে লাগলো। একদিন তাঁর পিতা তাদের দোকানে বিলকিসের সাথে সামসুকে অনেকক্ষণ কথা বলতে দেখে। সেদিন তাঁর পিতার সন্দেহ লাগে। ওই সন্দেহ লাগার অবশ্য যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ সামসু উদ্দিনের পরিবর্তন তাঁর পিতাকে দিন দিন হতবাক করেছে। ভাবিয়ে তুলেছে। 
বিলকিস চলে যাওয়ার পরে তাঁর পিতা তাঁদের দোকানে থাকা আবদুল হান্নান নামে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে জানলো তাদের প্রেমের কথা। তখন তাঁর পিতার মনে অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়েছিল। সন্দেহ হয়েছিল। তা এখন দূর হতে লাগলো। কারণ সামসু উদ্দিনের পরিবর্তন কার জন্য হচ্ছে তিনি তা অবলোকন করতে পেরেছে। 
কিছুদিন পরে বিলকিস সামসু উদ্দিনকে একই গার্মেন্টেসে চাকরি পাইয়ে দিলো। দুজন একই গার্মেন্টেসে চাকরি করতে থাকে। ওই গার্মেন্টেসে তারা বহুদিন চাকরি করতে থাকে। একদিন তারা সিদ্ধান্ত নেয় দুজন বিয়ে করবে। ব্যস, কাজী অফিসে গিয়ে তাদের বিয়ে হয়ে গেলো। বিয়ের পরে তারা এখন থাকবে কোথায়? এ নিয়ে তারা চিন্তায় পড়ে যায়। কোথায় থাকবে?

পরে তাদের থাকার ব্যবস্থা করে দেন বিলকিসের বড়বোন শেফালি। শেফালির বাসা ছিল কালুরঘাট কাপ্তাই রাস্তার মাথায়। কালুরঘাটেই তারা তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করে। সেখান থেকে তারা দুজন চাকরিতে যোগদান করতো। অনেকদিন সামসুর দেখা নেই। তাই তাঁর পিতা সামসুকে নিয়ে চিন্তায় আছে। 


তিনি হান্নান থেকে সামসুর খোঁজ নেয়। আবদুল মালেক থেকে সামসুর খোঁজ নেয়। ভুট্টো থেকে সামসুর খোঁজ নেয়। মাহাবু থেকে সামসুর খোঁজ নেয়। কিন্তু সামসুকে কোথাও খুঁজে পাই না।  

একদিন হান্নান কোন সোর্স থেকে সামসুর বিয়ে করার কথা জানতে পারে। সামসু বিয়ে করে কালো ডাইনি বিলকিসকে। সামসুদের বিয়ের খবর জানার সাথে সাথে হান্নান তাঁর পিতাকে বলে দেয়। তাঁর পিতা আবার সামসু উদ্দিনের বোনের জামাইকে বিলকিসদের বাসায় পাঠান-তাদের পরিবারকে শাসিয়ে আসতে। পরিবারের সম্মতি ছাড়া তাদেরকে এ বিয়ে করার বুদ্ধি কে দিলো তাও জানতে বললেন। এ বিয়ে মেনে নেয়া হবে না তাও জানিয়ে আসেন। 


সামসুর বোনজামাই তাঁর শ্বশুরকে সব ঠিকঠাক জানিয়ে দেন। এবার সামসুর পিতা এবং তাদের পরিবার, তাদের সমাজ সিদ্ধান্ত নেন--এ বিয়ে তারা মেনে নেবে না। সামসু-আর বিলকিসের বিচার হবে। ওই বিচারে থাকবে-বিলকিসের পরিবার। সামসুর পরিবার। থাকবে সমাজের নেতারা।
 
এর তিন-চার দিন পরে তাদের বিচার হলো। বিচারে পরিবারের সম্মতি ছাড়া এবং সামসুকে ভুলিয়ে বালিয়ে বিয়ে করার জন্য বিলকিসকে নারী সদস্যরা আচ্ছামতো তাবড়ানি দিলো। আর সামসুকে তাবড়ানি, লাঠি দিয়ে পেটালেন মালেক আর ভুট্টো। তবুও সে বিলকিসকে ছাড়বে না! বিলকিসও সামসুকে ছাড়বে না!  বিলকিস শয়তান এবং নন ম্যাচুউট।
 
সামসু তাঁর পিতার অবাধ্য হওয়ায় তাকে তাঁর পিতা ঘরে জায়গা দেয় না। তাকে মৌখিকভাবে একপ্রকার ত্যাজ্য ঘোষণা করা হয়েছে। তাছাড়া বিলকিসের সাথে সামসুদের পরিবারের কারো সাথে মিলবে না। মিলবে না তাদের সমাজের সাথে। কারণ, তাদের পাড়ায় পিতা-মাতার সম্মতি ছাড়া কোনো বিয়ে হয়নি। বিয়ে করতে হলে ওই পাড়ার সামাজিক স্বীকৃতি লাগবে। 

সামসু ও বিলকিসকে নিয়ে আরও দফায় দফায় সামাজিক বিচার হয়। তবুও সে তার প্রেমিকা বিলকিসকে ছাড়তে চাই না। কারণ, বিলকিস তাকে প্রণয়ের জাদুতে হোক কিংবা ভ- হুজুরের তাবিজে হোক সামসুকে বিয়ে করতে বাধ্য করেছে। 


আগেই বলেছি, বিলকিসের উদ্দেশ্য সামসুকে বিয়ে করে তাদের কিছু সম্পত্তি দখল করা। বিলকিস এও ভাবছে, সামসুকে বিয়ে করলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। তার কোনো অভাব-অনটন থাকবে না। এক্ষেত্রে বিলকিস সফল। সামসু বোকাচোদার পরিচয় দিয়েছে।  


এভাবে চলতে থাকে তাদের জীবন। বিয়ের পর সামসুর অনেক পরিবর্তন আসে। তার পোষাকÑআসাকেও। সে গার্মেন্টসের চাকরি ছেড়ে দেয়। বিলকিস কিন্তু গার্মেন্টেসের চাকরি অব্যাহত রাখে। 

 

 

অধ্যায়-২
বিলকিস কৌশলে সামসু উদ্দিনকে নিয়ে গুটি চালে। সে সামসুকে তার বোন জামাইয়ের কাছে পাঠাই। তাকে যেন বাড়িতে থাকতে দেয়া হয়। বিলকিসের জায়গা দখলের কৌশল শুরু হয়ে গেল।  সামসুর কথায় তার বোনজামাই শ্বশুরের সাথে দেখা করে। সামসুকে থাকার জায়গা দেয়ার কথা বলে। জামাইয়ের কথা শোনে শ্বশুর ফায়ার।
শ্বশুর বলল, তার ছোটো ভাই-বোনেরা থাকার জায়গা নেই। ও থাকবে কোথায়? সে যদি আমাদের সম্মতি নিয়ে বিয়ে করতো। আমরা তার জন্য মেয়ে দেখতাম। তার জন্য থাকার জায়গার ব্যবস্থা করতাম। সেতো আমাকে পাত্তাই দিলো না। সে যখন নিজে নিজে বিয়ে করেছে, থাকার ব্যবস্থাও সে নিজে নিজে করুক।

ওই সময় সামসুকে জায়গা দিলে সমাজ তাকে ধরতো। বাড়ির লোকজন তাকে ধরতো। আত্মীয়-স্বজন তাকে ধরতো। সুতরাং তার ব্যবস্থা সে নিজে করুক। তার শিক্ষা হোক। প্ল্যান ‘এ’ - বিলকিসের কোনো কাজে আসে না। 
তাই সে প্ল্যান-বি’ করেছে। বি নিয়ে সে এগুতে চাই। এবার গুটিবাজ বিলকিস সামসুকে পাঠাই এলাকায় তার বন্ধু নুরুল আলম ভুট্টোর কাছে। ভুট্টোও তাঁর পিতার কাছে যায়। কিন্তু তাঁর পিতার সে আগের কথা। তিনি এক কথার মানুষ। এলাকায় তাঁর মান-সম্মান আছে। তিনি এলাকার সমাজের সর্দার। সমাজসেবক। বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা। 

গুটিবাজ বিলকিসের প্ল্যান ‘বি-ও’ সফল হলো না। তারা দুজনই হতাশ হয়ে যায়। দিশেহারা। কি করবে? এবার পাড়ায় শশুরের বদনামি করতে থাকে নষ্ট মহিলা বিলকিস। শ্বশুর সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিলকিস এবং তাদের পরিবারের লোকজন ভালো নয়। তাদের উদ্দেশ্য অসৎ। তাদের উদ্দেশ্য তার বড় সন্তানকে ঘায়েল করে জায়গা-জমি দখল করা। 
এভাবেই বিলকিসের শয়তানি চলতেই থাকে। কিভাবে একটি পরিবারকে ধ্বংস করা যায়। সময় যেতে যেতে আসলো ১৯৯৫ সাল। ওই সময় সামসুর পিতার মনে একটু উদার হলো। সামসুকে ডাকলো। ডেকে তাকে তার বউকে নিয়ে বাড়িতে এসে থাকতে বলল। সামসুর জন্য দুটো রুমের একটা বাসা তৈরি করলো। তারা সেখানে থাকতে লাগলো। কিন্তু বিলকিসের উদ্দেশ্য যেহেতু খারাপ; তার সাথে সামসুর পরিবারের লোকজনের সাথে বনিবনা হয় না। কিছুদিন পর পর গায়ে পড়ে ঝগড়াঝাটি করে। তার ঝগড়া করার অনেক অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।  দুই রুম নয়-তার থাকার জন্য আরও বেশি রুম চাই। আরও বেশি টাকা চাই। সামসুর জন্য একটা দোকান চাই।

সামসুর পিতা কিন্তু বিলকিসকে একদমও পছন্দ করে না। তবুও সামসু যাতে আরও একটু ভালো থাকতে পারে সেজন্য তাকে একটা দোকান দিলো। সামসুর যেহেতু টেইলারিং কাজ জানা আছে।  এ কাজের জ্ঞান, দক্ষতা দুটোই তার আছে। তাই সে টেইলারিং দোকান খুলল। কিন্তু টেইলারিং ব্যবসায় সামসু সফল হতে পারছে না। তার সেলাইয়ের কাজের মান নাকি খুব একটা ভালো ছিল না। তাই দোকানের কাস্টমারদের সাথে তার বাকবিতন্ডা হতো হালকা-পাতলা। তাছাড়া ওই সময়ে তার দর্জি কাজে মন বসতো না। কি যেন ভাবতো উদাস হয়ে। বুঝতাম না। বিলকিসের কথা। নাকি অবাধ্য সন্তান হয়ে পিতা-মাতার সম্মতি না নিয়ে বিয়ে করা।

সামসুর উদাসীনতার কারণে সে আর দর্জি ব্যবসা ধরে রাখতে পারলো না। তার পতন হলো। অভিশাপ লাগলো। এ অভিশাপ তাঁর পিতার। এ অভিশাপ তাঁর মায়ের। এ অভিশাপ তার আত্মীয়-স্বজনের। এক অভিশাপেই সে ছন্নছাড়া হয়ে গেলো। এখন সে শুধু রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে-আর মাজারে যাই। এই হলো তার রুটিন মাফিক কাজ। কিন্তু সে তার পতন এখনও বুঝে উঠতে পারছে না। 
এদিকে বিলকিসের পাগলামি আরও বাড়তে থাকে। গায়ে পড়ে ঝগড়াঝাটি আর গেল না তার। তার অতিলোভের কারণে সামসু আর বিলকিসের এ দশা। এ সবই বিধাতার খেলা! 
শেষমেশ সামসুদের বাড়িতে বিলকিসের আর থাকা হলো না। ২০০১ সালে তারা অন্যত্র চলে যায়। পূর্ব ফিরোজশাহ এলাকায় বিলকিসের মায়ের দখলে থাকা কিছু পাহাড়ের জায়গা আছে। নামমাত্র টাকায় কেনা দখলে থাকা পাহাড়ের জায়গায় হলো তাদের ঠিকানা। ওখানেই তারা থাকতে শুরু করলো। কিন্তু সেখানে থাকলে কি হবে? বিলকিসের গুটিবাজি আর শয়তানি তো কমলো না!

বিলকিস স্বাধীন থাকতে চাই। সে সামসুদের পরিবার থেকে সম্পত্তি নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনভাবে থাকতে চাই। সেজন্য আবারও নতুন নতুন প্ল্যান বিলকিস বের করে। এভাবে তার প্ল্যানে যুক্ত হয়েছে তার বড়ভাই সুবিধাবাদী নুরুজ্জামান, ভূমিদস্যু আবুল কালাম আবু, নুরুল আলম ভুট্টো, রহস্যময় মাহাবু, সুদের কারবারি তোতা, লালসালু মঞ্জু, বোতল তাহের। এদের কাছে বিলকিস সামসুকে পাঠাতে থাকে। সামসুকে দিয়ে তাদের কাছে তাঁর পিতার বিরুদ্ধে কথা বলে। তাকে জায়গা নিয়ে দিতে বলে।

ভূমিদস্যু আবুল কালাম আবুরা সুযোগ পেল। এ সুযোগে তাঁর পিতার মান-সম্মান ক্ষুন্ন করতে হবে। তাঁর পিতার ৮ শতক জায়গা জাল বরাদ্দপত্র, জাল দলিল সৃজন করে হোক যেভাবে হোক আত্মসাৎ করতে হবে।
দাবার একটি গুটি হিসেবে ওই চালে রেখেছে সামসুকে। দাবার আরেকটি গুটি হিসেবে রেখেছে বিলকিসকে। এ দুজনকে দিয়ে তাঁর পিতা আবদুল খালেকের জায়গা-সম্পত্তি তছনচ করে দিতে হবে।
সামসুর সহকর্মীদের মিশন কিন্তু এ দুজন মতলববাজের কারণে ফলপ্রসু হতে লাগলো। ভিতের ভিতের হাইব্রিড নেতা ভূমিদস্যু, জালদলিল চক্রের সদস্য, দুর্নীতিবাজ আবু কিন্তু চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া আবেদনের মাধ্যমে লুৎফুন নাহার, মিন আরা বেগম ও মুরাদ খানের নামে ভুয়া বরাদ্দপত্র নিয়ে ফেলে। আর এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেছে সেন্টারিং জানে আলম, বন্দরের ক্রেন চালক আজম খান, কাতার নাজিম ওরফে আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন। এরা সবাই বিএনপি সমর্থন করে।
আর এ কাজে তার সাথে ছায়া হিসেবে আছে সামসুর চাচাতো ভাই আফতাব উদ্দিন রুবেল, গিয়াস উদ্দিন টুনু, এলাকার তোতা পাখি তোতা, মজুতদার মাহাবু, রহস্যময় ভুট্টো, প্রফেসর, শফি বাঙালি। মাস্টারমাইন্ডে আছে আলহাজ আবু তাহের, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, ছবদর আলম, দুর্নীতিবাজ জালদলিল চক্রের সদস্য জানে আলম, মো. আজম খান, নাজিম উদ্দিন, মুন্সি মো. নাঈম, প্রমতোষ চৌধুরী, খাজা আবদুল কাইয়ুমদের নিয়ে ভুয়া পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সৃজন করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জায়গা দখলে আসে।

তবে ভূমিদস্যু আবু এবং তার সি-িকেটের লোকজন সামসুর পিতার ওই ৮ শতক জায়গা কিন্তু এমনে এমনে দখল করেনি। এর জন্য তাদের অনেক টাকা খরচ করতে হয়েছে। পাহাড়তলী থানা কন্ট্রাক্ট  করতে হয়েছে। এসিল্যান্ড অফিস কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। ভাড়াটিয়া গু-া কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। এলাকায় মাস্তানদের কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। হালিশহরের মাস্তানদের কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। আগ্রাপাড়া ও উত্তর কাট্টলি নাজির বাড়ির মাস্তানদের কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে।
পাঞ্জাবি লাইনের মাস্তানদের কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। সন্ত্রাসী ডন, সম্রাট,  ডিউক, তোতন, ফিরোজ, সাদেক, কমিশনার সামসু ও মোশারফ দীপ্তিকে কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে। বিএনপি নেতা আমির খসরুকে কন্ট্রাক্ট করতে হয়েছে।  


ভূমিদস্যুরা গুণ্ডা, মাস্তান সবাইকে কন্ট্রাক্ট করার পর সামসুর পিতাকে তাদের ষাট বছরের দখলকৃত জায়গা থেকে বিতাড়িত করলো। ভূমিদস্যুরা দখলকৃত জায়গা থাকা বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ গাছ কাটলো। তাদের দখলে থাকা সেমিপাকা ঘর ভাঙলো। আবু এবং তার সিণ্ডিকেটের লোকজনের মনে উল্লাস  জাগলো।
    
 এদিকে সামসুর পিতা তাঁর ৫৪/৬০ বছরের ভোগদখলকৃত জায়গা হারিয়ে দিশেহারা। তিনি কোনো উপায়ন্তর দেখছে না। ভূমিদস্যুরা এভাবে ছল-চাতুরি আর জাল দলিল সৃজন করে তাঁকে ব্লেকমেইল করবে, প্রতারণা করবে তিনি জীবনেও ভাবেনি। তাঁর এলাকার লোকজন যাকে তারা সম্মান করতো-তারা যে ধোকা দেবে তিনি কল্পনাও করেনি। কারণ তিনি তাদের শয়তানি ধরতে পারেনি। তারা তো ছিল মুখোশধারী। তারা তো ছিল ছদ্মবেশি।

এরপর ভূমিদস্যুরা তাঁর পিতার ওই ৮ শতক জায়গা ভুয়া হস্তান্তর দলিল, ভুয়া রূপান্তর দলিল সৃজন করে। ২০০৯ সালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর সেখানে এনআরজে কমপ্লেক্স নামে একটি রহস্যময় ভবন তৈরি করে। যে ভবনের নাম দিয়েছি আমি অভিশপ্ত ভবন। কেননা এ বিল্ডিংয়ের প্রতিটি কোণায় কোণায় সামসুর পিতার নিঃশ্বাস রয়েছে। এ বিল্ডিংয়ের প্রতিটি মাটির কণায় রক্ত পানি করা আর ঘামেভেজা শ্রম রয়েছে।
এনআরজে কমপ্লেক্স জায়গা আত্মসাতে শুধু বিলকিস আর সামসু জড়িত নয়। রয়েছে সামসু ও লিওনের কিছু  চাচাতো বোন এবং বোনজামাই। বিশ্বাসঘাতকের তালিকায় শুধুু আবুল কালাম আবু, আর কসাই আজিজ নয়, আরো অনেকজন রয়েছে। রয়েছে ভাতিজা আফতাব উদ্দিন রুবেল। রয়েছে গিয়াস উদ্দিন, কফিল উদ্দিন।

এনআরজে কমপ্লেক্সের ভূমিদস্যুরা আফতাব উদ্দিন রুবেলকে নাকি আবদুল খালেকের ৮ শতক জায়গা দখল করে দেয়ার সহযোগিতার জন্য ৫০ লাখ টাকা উপঢৌকন এবং দেড় কাঠা জায়গা দিয়েছে। শুধু কি তাই? এনআরজে কমপ্লেক্স নির্মাণের ঠিকাদারি কাজও দিয়েছে। তবুও আফতাব উদ্দিন রুবেলের লোভ সংবরণ হয় না। আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের নাম বিক্রি করে করে চলে। 
বিশ্বাসঘাতক, লোভী, ষড়যন্ত্রকারীরা আসলেই আমাদের পাশে থাকে। আমরা কিন্তু তা বুঝি না। যখন বুঝে উঠি তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ি। তখন আর কিছু করার থাকে না। তেমনি আওয়ামী লীগের খন্দকার মোশতাকের ইতিহাসও সবাই জানে। 

সামসু উদ্দিনের পিতা যখন জীবিত ছিল তখন আবুল কালাম আবু, ভুট্টো মাহবুবরা কিন্তু সামসুকে জায়গা পাইয়ে দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল। উঠেপড়ে লেগেছিল এলাকার আরও কিছু ষড়যন্ত্রকারীরা। তবুও তাদের চক্রান্ত কোনো কাজে আসেনি। কারণ তার পিতার সাফ জবাব “তাকে এখন কোনো জায়গা দিতে পারবো না। সে আমার অবাধ্য সন্তান। তার বউ খুব খারাপ মহিলা। আমি মরলে তার জায়গা সে তার ভাই-বোনদের কাছ থেকে সু-সম্পর্ক রেখে বুঝে নেবে।”

সামসু উদ্দিন এবং বিলকিস ছিল তাদের পরিবারের পথের কাটা। আবার আগাছাও। এ সামসুর জন্য তাদের পরিবারের উন্নতি হচ্ছে না। সামসু বধ। কুফা সামসু। রহস্যময় সামসু! তাকে নিয়ে সবাই গেম খেলতে চাই। তাকে নিয়ে সবাই গুটি চালতে চাই। কারণ সে দাবার মতো গুটি! কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো গুটিই কাজে আসে না। কারণ সামসুর ছোটো ভাই লিওন--সে গুটিবাজদের সামাল দেয়ার মিশনে ফ্রন্টলাইনে কাজ করছে।  

লিওন ছোটোবেলা থেকেই চতুর। পড়ালেখায় ছিল ভালো। খেলাধুলায় ছিল খুব ভালো। চিন্তায় ছিল ভালো। পরিবার নিয়ে তার ভাবনা সুদূঢ়প্রসারী। সমাজ নিয়ে তার ভাবনা পজিটিভ। সে অনেক সচেতন। পরিবারের সবার কাছ থেকে সে একটু ভিন্ন। সে স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালোবাসে। সে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে ভালোবাসে। সে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে ভালোবাসে।
খুব অল্প বয়সে সে মানুষ চিনতো-কে খারাপ আর কে ভালো। সে তাদের অনায়াসে চেহারা দেখে বলে দিতে পারতো। যদিও লিওন কিন্তু সরল মনের মানুষ। সুন্দর মনের মানুষ। যে কারণে সামসুর পিতা তাকে সব সন্তানদের চেয়ে একটু বেশি আদর করতেন। ভালোবাসতেন। মাঝে একবার হয়তো পিতা-পুত্রের মাঝে ষড়যন্ত্রকারীদের কারণে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিল; তা আবার অনায়াসে কিছুদিন পরে ঠিক হয়ে যায়। কপাল পুড়ে চক্রান্তকারীদের। 
রিওনের কারণে এলাকার ভূমিদস্যু এবং চক্রান্তকারীদের ষড়যন্ত্র কাজে আসে না। সে নিমিষেই বুদ্ধি-বিচক্ষণতা দিয়ে সব উড়িয়ে দিতো। ভূমিদস্যুদের ঘুম নষ্ট হওয়ার কারণ রিওন। ভূমিদস্যুদের চিন্তা হওয়ার কারণ রিওন।  

সামসুকে নিয়ে শুধু এলাকার ভূমিদস্যু এবং চক্রান্তকারীরা ষড়যন্ত্র করে না। তাকে নিয়ে চক্রান্ত করে তার পরিবারের লোকজন এবং আত্মীয়-স্বজন। রিওনের অনুসন্ধানে তা ধরা পড়েছে। সামসুকে নিয়ে চক্রান্ত করে তার জার্মানি প্রবাসী বোন জামাই। তারা সামসু ইস্যু নিয়ে ঘরোয়া রাজনীতি করে। সামসুকে দাবার গুটি হিসেবে চালিয়ে নেয়।

প্রতিবার জার্মানি থেকে ছুটি নিয়ে তার ছোট বোনের জামাই যখন দেশে আসতো-তখন সে ছুটে যেতো। তাকে জার্মানি থেকে আনা কিছু পারফিউম আর কিছু কাপড়-চোপড় উপহার দিতো। ওই সুযোগে গুটির শিকার হওয়া সামসু ছবদর আলমকে বলতো--তার জায়গা যেনো তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। নয়তো এ জায়গার অনুকূলে সমপরিমাণ টাকা যেনো তাকে দেয়া হয়। যা দিয়ে সে অন্য এলাকায় কিংবা সীতাকু-ে জায়গা কিনে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকতে পারে।

ছবদর আলম আর ফারহানা বেগম দেখি সামসুর সাথে নাটক করতে থাকে। মশকরা করতে থাকে। মিথ্যা আশ্বাস দিতে থাকে। তার ছোট বোন ও স্বামীর উদ্দেশ্য খারাপ। সে জার্মানির প্রবাসী হলে কি হবে? সে মুখোশধারী শয়তান। লোভী। ছবদর আলমের শ্বশুরের সম্পত্তির প্রতি ভীষণ লোভ। আর সে করবে সামসু উদ্দিনের সমাধান? 

ছবদর আলম নিজেই শ্বশুড়ের জায়গা আত্মসাৎ করার জন্য বসে আছে। তার এ চক্রান্ত কেউ ধরতে পারতো না। একমাত্র রিওন ব্যতীত। তাই রিওন ছিল ছবদর আলমের যম। রিওনের আবার কিছু নীতি আছে। সে সম্মানিত মানুষদের সম্মান করে। যারা তার ক্ষতি করে সে তাদের পিছে লেগে থাকে।

ছবদর আলম শুধু মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সামসুর সময় নষ্ট করতো। বোকাচোঁদা সামসু ছবদর আলমের পলিটিক্স ধরতে পারতো না। শুধু সামসু কেন? বোনজামাই ছবদর আলম এবং তার ছোটবোনের এই ষড়যন্ত্র ধরতে পারতো না সামসুর ছোটভাইগুলোও। 
রিওনের পিতা মারা যাওয়ার পর তার শক্তি কিছুটা কমে গেল। তাই সে একা কিছু করতে পারে না। কারণ, কিছু করতে হলে তো শক্তি লাগবে। সাহস লাগবে। রিওনকে তো সমর্থন দেয় না তার বড় ভাই সামসু। রিওনকে তো বিশ্বাস করতে পারছে না তার ছোটভাইয়েরাও। অথচ আড়ালেই সেই পরিবারটাকে ধরে রেখেছে। সবই করে সে। শুধু ভ- এলাকার সামাজিক কাজ ব্যতীত।
কাজ করে রিওন। আর নাম হয় তার ছোট ভাই রহমানের। পরিবারের সব সদস্যদের ওপর  ধেয়ে আসা বিপদ-আপদগুলো রিওনই ট্যাকেল দেয়। রিওনের ছোটো ভাইদেরকেও তার চাচাতো ভাই, চাচাতো বোন, আপন বোন ও দুলাভাইয়েরা ভুল-ভাল বুঝিয়ে রেখেছে; যাতে তারা আর এক  হতে না পারে। যদি রিওন, রূপু, রহমান, মাহিন ও সামসু-সব ভাই এক হতে পারে সব খেলা শেষ। তাই হয়তো তারা এমন করছে। 

এভাবে প্রতিবার প্রবাস থেকে তার বোনজামাই আসে আর যাই। সামসু ইস্যুর কোনো সমাধান হয় না। তবে প্রতিবার আসলে সামসুকে নিয়ে বৈঠক হয়। ঘরোয়াভাবে এ নিয়ে রাজনীতি হয়। নাটক হয়। এতে অভিনয় করে ছবদর আলম আর তার বোনেরা। আর দর্শক হয়ে দেখে সামসুর ছোটভাইয়েরা।

এ নিয়ে ভীষণ রাগান্বিত রিওন।  ছবদর আলম এবং তার বোনদের সামসুকে নিয়ে নাটক করা একদম তার পছন্দ নয়। রিওনও জানে ছবদর আলম সময় নষ্ট করবে। কাজের কাজ কিছু করবে না। রিওনের কিন্তু আর্থিক স্বচ্ছলতা যথেষ্ট ছিল না। না হলে সে একাই আর্থিকভাবে সব টাকা-পয়সা দিয়ে জায়গা কিনে দিতো। সে সমাধান চাই। তার ছোটভাইগুলোও সমাধান চাইতো। কিন্তু ছবদর আলমের ষড়যন্ত্রের কারণে এটে এসে পারতো না। তার বোনেরা মুখে চাইলেও তারা কিন্তু অন্তর থেকে চাইতো না। তারা সামসুর সমস্যা ঝিইয়ে রাখতো। কেননা সামসু গুটি। তাই সামসুর সমস্যা সমাধান হতে দেয়া যাবে না। 


সামসুর চাচাতো ভাইয়েরাও চাইতো সামসুর ইস্যুটি ঝিইয়ে রাখতে। সামসুকে নিয়ে খেলতে। সামসুকে নিয়ে গুটি চালাতে। কারণ, সামসুর সমাধান হওয়া মানে তাদের পরিবারের উন্নয়ন হওয়া। সামসুর সমাধান হওয়া মানে তাদের বাড়ি-গাড়ি হওয়া। কারণ তারা চাইতো সামসুর সমস্যা সমাধান হলে তাদের ভাইদের কাছে টাকা থাকবে। আর টাকা থাকলে তার পিতার হারানো জায়গা এনআরজে কমপ্লেক্স পুনরুদ্ধার করবে রিওন।  

##

রিলেটেড নিউজ

সীতাকুণ্ডে পিকেএসএফের অর্থায়নে ইপসা-আরএমটিপির উদ্যোক্তা মেলা

চট্টলার ডাক ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের বাজার সংযোগ ও টেকসই প্রদর্শনী ২০২৫ অনু...বিস্তারিত


ডিকের হুশ কোথায়?

আফছার উদ্দিন লিটন: মধু দাদা ডিকে ঘোষ মাঝে মাঝে হারায় হুশ, হাসি-খুশির স্বভাব দোষ অসৎ হলেও খাই না ঘুষ। তাং-২৭ জুলাই ২০২...বিস্তারিত


ভালোবাসা জেগে থাক

আশীষ সেন দংশনে আছে বিষ তবু, ভালোবাসা জমে থাক। পাথর প্রতিমা সেথা প্রাণ বহমান, সারাক্ষণ পূজা তোমার স্মৃতির ...বিস্তারিত


পরের সরকার যদি সংস্কার না করে তখন তার দায়ভার কে নেবে?

আফছার উদ্দিন লিটন: বিএনপি নেতারা প্রতিদিন নির্বাচন দেন দাবী করে কেন? তাদেরকে ষোল বছর শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নেতা...বিস্তারিত


বিএনপি কি স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের জেল-জুলুম নির্যাতনের কথা ভুলে গেছে?

আফছার উদ্দিন লিটন: বিএনপি যে শুধু নির্বাচন নির্বাচন বলে পাগলের প্রলাপ করছে। ধরলাম এক কিংবা দেড় বছর পরে বিএনপি ক্ষমতা...বিস্তারিত


আদালতে লেফট -রাইটে ব্যস্ত ছিল যারা

আফছার উদ্দিন লিটন: বিএনপি নেতারা প্রতিদিন নির্বাচন দেন দাবী করে কেন? তাদেরকে ষোল বছর শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নেতা...বিস্তারিত