আজ  বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশন পদে আর নয় সচিবালয়ের আমলা

  আফছার উদ্দিন লিটন:   |   আপডেট: ০৮:৩৪ পিএম, ২০২৫-০৭-৩১    76

 

দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশন পদে আর নয় সচিবালয়ের আমলা

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাবেক তিন চসিক মেয়র ধারাবাহিকভাবে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কমিশন নিতো। এ তালিকায় এমপি লতিফ, সাবেক ভূমি মন্ত্রী জাভেদ, বলদ অযোগ্য এমপি দিদার, এস আলমের মাসুদ, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, ওবায়দুল কাদের, হানিফ সহ একাধিক মন্ত্রী -এমপি ভাগ-বাঁটোয়ারায় সম্পৃক্ত ছিল।

যুব লীগের দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন বাচ্চু, আরশেদুল আলম, দেবাশীষ পাল দেবু, জিয়াউল হক সুমন, আজিজুর রহমান সহ একাধিক নেতারা প্রতিমাসে কমিশন তো পেতোই; এর সাথে পেতো বন্দরের টেন্ডারের কাজ।

দুর্নীতিবাজ দুদক আঙুল চোষার কারণে সামান্য প্যাকেট পেয়ে কখনো ধামাচাপা দিতো কখনো বা দেখে না দেখার মতো করে কিংবা ভাজা মাছ উল্টে খেতে পারে না — এমন অসাধু রূপে থাকার কারণে ক্রিমিনাল এবং দুর্নীতিবাজদের ধরতে পারেনি।

চোরে-চোরে মাসতুতো ভাই হলে যা হয় আর কী?

তাই আর নয় দুদকের আঙুল চোষা! এবার এসব ক্রিমিনাল ও দুর্নীতিবাজদের ধরতে হবে। ধরতেই হবে কোনো ছাড় নয়। তাদেরকে না ধরলে দেশ সংস্কার হবে না। বরঞ্চ তাদেরকে না ধরলে বিজয় এবং মুক্তি এনে দেয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য বিষ ফোড়া হয়ে দাঁড়াবে।

এসব দুর্নীতিবাজ ক্রিমিনালদের কারণে আমি এবং আমরা যোগ্য জায়গায় যেতে পারেনি। ভালোভাবে অর্থ উপার্জন করতেও পারেনি। কারণ, আওয়ামী লীগ সরকারের অধিকাংশ নীতিনির্ধারক ছিল চরম দুর্নীতিবাজ এবং লম্পট। এরা শিক্ষিত মানুষের চেয়ে অশিক্ষিতদের মূল্যায়ন করতো বেশি। যে কারণে দেশের প্রত্যেক জায়গায় অযোগ্য লোকের বিচরণ থাকায় মেধাবীরা কোণঠাসা ছিল। এ কারণেই তো কোটা সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত।

আর নয় সময় অপচয়। এখন দেশ সংস্কার করার উপযুক্ত সময়। এক্ষেত্রে পুলিশ, দুদক, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী (বাদি-বিবাদি উভয় পক্ষ থেকে টাকা খেয়ে মামলা দীর্ঘায়িত করে), আমলাকে সংস্করণ করা শুরু হোক। বিশেষ করে পুলিশ এবং দুদককে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে হবে। সচিবালয় থেকে কিংবা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি অফিস থেকে দুদকের লোকজনকে প্রেষণে কিংবা সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। সচিবালয়ের কোনো আমলা দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনার, মহাপরিচালক, পরিচালক হতে পারবে না। এমনকি তাদেরকে প্রেষণে নিয়োগও দেয়া যাবে না। কারণ, তাদেরকে নিয়োগ দিলে দুদক জিন্দেগীতেও দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সংস্থা হবে না।

দুর্নীতি দমন কমিশনকে দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ এবং শক্তিশালী করতে হলে সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সৎ ধর্মীয় আলেম, উলামা কিংবা ডানপন্থী সৎ বুদ্ধিজীবী নিয়োগ দেয়া যেতে পারে।

তাং- শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪খৃ.

Description: ????????Description: ✍️

রিলেটেড নিউজ

আইডিএফের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইউনিটের ঘরোয়া বৈঠক

আফছার উদ্দিন লিটন: আইডিএফ ( ) কৃষি কর্মসূচির আওতায় বেতবুনিয়া শাখার অধীনে আদর্শ গ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রতি এক প্রাণবন্ত&nbs...বিস্তারিত


মমতা সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচির বিগত বছরের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

আফছার উদ্দিন লিটন: মমতা সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচির বিগত বছরের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান-বিডিপি অগ্রগতি পর্যালোচনা সভà...বিস্তারিত


অযত্ন, অবহেলায় পাহাড়তলী সিসিএস অফিস

আফছার উদ্দিন লিটন: পাহাড়তলী সিসিএস কার্যালয় সংস্কার না হওয়ায় অফিসের সামনে ময়লার স্তূপ। এছাড়া দরজার উপরে থাকা কর্মকর...বিস্তারিত


রেলের সিসিএস কার্যালয়ের সামনে ময়লা অপসারণ না হওয়ার কারণ কী?

আফছার উদ্দিন লিটন: বাংলাদেশ রেলওয়ের পাহাড়তলী প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) কার্যালয় সংস্কার হওয়ার কথা থাকলেও সং...বিস্তারিত


রেলের জায়গায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ 

আফছার উদ্দিন লিটন: রেললাইন লাগোয়া ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণের আকিজ মটরস থেকে কৈবল্যধাম রেল স্টেশনের পেছà¦...বিস্তারিত


বউ নিয়ে রাজনীতি 

আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খোà...বিস্তারিত