শিরোনাম
আফছার উদ্দিন লিটন: | আপডেট: ০৮:০৩ পিএম, ২০২৫-০৭-৩১ 74
আমি দুর্নীতি দমন বিরোধী সংস্থা Transparency International of Bangladesh (Tib) টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান স্যারের কাছে ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত দুদকের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা আমার দায়ের করা মামলা এবং অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান ও তদন্তকাজ সব আসামিকে নোটিশ না করে কিছু কিছু আসামিকে ডেকে টাকা নিয়ে তদন্তকাজ ফেলে রাখা, একই মামলায় একাধিক আইও নিয়োগ করা, অনুসন্ধান ও তদন্তকালে কোনো আসামিকে অভিযোগ থেকে বাদ দেয়া, কোনো কোনো আসামিকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়ার কারণে আসামিদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কি কি দুর্নীতি করে তা লিখিত অভিযোগ জানিয়ে এসেছি। ওই আবেদনগুলো রিসিভিং কপি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।
২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত (বিএনপি, জামাত ও হেফাজতের নেতাদের দুর্নীতির হয়রানি ও ভিত্তিহীন মামলা ব্যতীত) যতগুলো দুর্নীতি, অনিয়ম, জাল-জালিয়াতি, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি ও অনিয়ম, টাকা পাচারের মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হওয়া সত্ত্বেও দুদক আসামিদেরকে দায়মুক্তি দিয়েছে তা আবার পুনতদন্ত করা হোক। কারণ, দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতি করে কোনোভাবে দায়মুক্তি পেতে পারে না। এতে দুর্নীতিবাজ আরও দুর্নীতি করার জন্য উৎসাহিত হয়। ধরুন, ওই দুর্নীতিবাজ আজ করলো টেন্ডার ব্যবসার অজুহাতে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ; কাল করবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে টেন্ডার কিংবা সাপ্লাই ব্যবসার অজুহাতে ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতি। এর পরের দিন করবে জনতা কিংবা সোনালি ব্যাংক থেকে ব্যাংকের উপরের লেভেলের কর্মকর্তাদোর ঘুষ দিয়ে নয় ছয় করে ৫০০ কোটি টাকা লোন নিয়ে বিদেশে পালাবে নয়তো পাচার করবে।
যে কারণে আজ সাইকো কিলার শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকের উদ্ভব হয়েছে। এই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা মুখে এক, অন্তরে আরেক রূপ! তিনি গণমাধ্যমের সামনে এসে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়তো। যা সম্পূর্ণ ভুয়া। তিনি গরীব মানুষের জন্য অনেক কিছু করেছেন, বয়স্কভাতা দিয়েছেন, দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করেছেন আরও কতো বেফাস কথা বলতেন; যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। শুধুই তার দলের কিছু কিছু কর্মীকে দেখে দেখে বয়স্ক ভাতা দিয়েছেন।
এ লেখার সাথে (বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খৃ.) চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাবেক চসিকের তিন মেয়রের কমিশন এবং চাঁদাবাজি বাণিজ্য —লেখা সমন্বয় করলাম।
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাবেক তিন চসিক মেয়র ধারাবাহিকভাবে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কমিশন নিতো।
এ তালিকায় এমপি লতিফ, সাবেক ভূমি মন্ত্রী জাভেদ, বলদ অযোগ্য এমপি দিদার, এস আলমের মাসুদ, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, ওবায়দুল কাদের, হানিফ সহ একাধিক মন্ত্রী -এমপি ভাগ-বাঁটোয়ারায় সম্পৃক্ত ছিল।
যুব লীগের দুর্নীতিবাজ
আফছার উদ্দিন লিটন: আইডিএফ ( ) কৃষি কর্মসূচির আওতায় বেতবুনিয়া শাখার অধীনে আদর্শ গ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রতি এক প্রাণবন্ত&nbs...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মমতা সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচির বিগত বছরের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান-বিডিপি অগ্রগতি পর্যালোচনা সভà...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: পাহাড়তলী সিসিএস কার্যালয় সংস্কার না হওয়ায় অফিসের সামনে ময়লার স্তূপ। এছাড়া দরজার উপরে থাকা কর্মকর...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: বাংলাদেশ রেলওয়ের পাহাড়তলী প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) কার্যালয় সংস্কার হওয়ার কথা থাকলেও সং...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: রেললাইন লাগোয়া ইস্পাহানী মার্শাল ফিল্ডের পশ্চিমকোণের আকিজ মটরস থেকে কৈবল্যধাম রেল স্টেশনের পেছà¦...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খোà...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak