শিরোনাম
আফছার উদ্দিন লিটন: | আপডেট: ০৬:০১ পিএম, ২০২৪-০১-০৫ 256
আলহাজ্ব দিদারুল কবির
আলহাজ¦ দিদারুল কবির। তিনি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন যুগ্ম মহাসচিব। রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন ১৯৮৪ সালে। জাতীয় পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য হয়েছেন ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০১৮ সালে এমপি মনোনীত প্রার্থী। সাক্ষাৎকারের চম্বুক অংশটুকু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন চট্টলার ডাক পত্রিকার সম্পাদক আফছার উদ্দিন লিটন।
আফছার উদ্দিন লিটন : কেমন আছেন আপনি?
আলহাজ¦ দিদারুল কবির : আমি ভালো আছি মহান রাব্বুল আলামিনের রহমতে।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনার রাজনীতির শুরুটা কীভাবে?
আলহাজ¦ দিদারুল কবির : আমি ছাত্রজীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সরাসরি সক্রিয় কর্মী ছিলাম। সীতাকু- ছাত্রলীগেরও একজন নেতা ছিলাম। পরবর্তীতে রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে এবং অন্যান্য নানান কারণে আমি সেখান থেকে সড়ে আসি। সেসময়ের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টিতে যোগ দিই। আমি আজকের দিন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে আছি।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনার ব্যক্তিগত নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে ভাইটাল পয়েন্ট কোথায়?
আলহাজ দিদারুল কবির : আপনার নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে ভাইটাল পয়েন্ট হচ্ছে- সীতাকু- অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে এনে সুসংগঠিত করা এবং জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের মাধ্যমে হওয়া পরিবেশ দূষণ ঠেকানো। একটি মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত সীতাকুণ্ড উপহার দেয়া। আমি আশাকরি আগামীতে সরকারের সাথে সমন্বয় করে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আমার আন্তরিক চেষ্টা দিয়ে বেশি আকারে আনতে সচেষ্ট হবো ইনশাল্লাহ।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনার নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা কেমন চলছে?
আলহাজ দিদারুল কবির : খুবই ভালো। নির্বাচনি প্রচারণায় জনগণের সাড়াও পাচ্ছি বেশি। নিত্যপণ্যের অসহনীয় মূল্য, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়া, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়া, উপযুক্ত কর্মসংস্থান না হওয়ায় বেকারত্ব বেড়ে য্ওায়ার কারণে নির্বাচনি প্রচারণায় জনগণ এখন আমাদেরকে স্বাগতম জানাচ্ছে। অন্যান্যবার নির্বাচনি প্রচারণায় কিংবা গণসংযোগকালে জনগণ আমাদের লিফলেট ও পোস্টার ছিড়ে ফেলে মুখ ফিরিয়ে নিতো-এবারের হিসাব কিন্তু ভিন্ন। এবার জনগণ আমাদের লিফলেট গ্রহণ করছে। সাধুবাদ জানাচ্ছে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনি নির্বাচিত হলে সীতাকু-কে কোনরূপে দেখতে চান?
আলহাজ দিদারুল কবির : আমি নির্বাচিত হলে আমার প্রথম পদক্ষেপ হবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সাথে নিয়ে একটি আধুনিক সীতাকুণ্ড গড়ে তোলা। আরও একটি বিশেষ একটি পদক্ষেপ থাকবে আর সেটি হলো সীতাকুণ্ডকে একটি নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। হিন্দুদের শত বছরের পুরোনো তীর্থস্থান সীতাকু-ের চন্দ্রনাথ পাহাড় এবং বাড়বকু-ের পাহাড়ি পথে সিড়ির ব্যবস্থা করবো ইনশাল্লাহ।
আফছার উদ্দিন লিটন : চট্টগ্রাম-০৪ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এসএম আল মামুন একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। আপনার কি মনে হয় আপনি তাঁর সাথে জিতে আসতে পারবেন?
আলহাজ দিদারুল কবির : আল্লাহ চাইলে অবশ্যই পারবো। আমি বহুবছর ধরে নিজের উদ্যোগে এবং চেষ্টায় আমার নির্বাচনি এলাকা সীতাকুণ্ডে নানানভাবে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এখনো করছি। তাই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে এমনটা আশা করতে পারি।
আফছার উদ্দিন লিটন : জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটুকু আশাবাদী?
আলহাজ¦ দিদারুল কবির : আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত। এবার সীতাকুণ্ড অঞ্চলের মানুষ আমাকে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে ইনশাল্লাহ।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনার নির্বাচনি এলাকায় জাতীয় পার্টির কর্মীদের সাথে আপনার জনসম্পৃক্ততা কেমন?
আলহাজ দিদারুল কবির : খুবই ভালো। কর্মীদেরকে সংগঠিত করার জন্য আমি সবসময় ঝাপিয়ে পড়ি। সীতাকু-ে জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা আওয়ামী লীগের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
আফছার উদ্দিন লিটন : বিভিন্ন দলের বিভিন্ন প্রার্থীদের সমন্বয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেকটা অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে-বিষয়টা আপনি কিভাবে দেখছেন?
আলহাজ দিদারুল কবির : বিএনপি, জামায়েত সহ আরও অনেক দল নেই; তাই সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হচ্ছে এমনটা বলা যায় না। এসব দল আসলে ভালো হতো। তবে হ্যাঁ, আমার নির্বাচনি এলাকায় নির্বাচনি আমেজ এবং ভোটের উৎসব বিরাজ করছে। আমি চাই এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হোক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া নির্বাচন একপেশে হয়ে যায়।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনি নির্বাচিত হয়ে আসলে সীতাকু- উপজেলার জনগণের জন্য আপনার প্রথম চ্যালেঞ্জ কি থাকবে?
আলহাজ¦ দিদারুল কবির : আমি আগেই বলেছি নির্বাচিত হলে সীতাকু-কে একটি নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবো। চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক চাকা আরও গতিশীল করতে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার ব্যাপক প্রয়াস গ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ।
আফছার উদ্দিন লিটন : আপনি নির্বাচিত হলে অন্যান্য যে দলের প্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতারা রয়েছে-আপনি তাদের সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করবেন কিনা?
আলহাজ দিদারুল কবির : কেন নয়। সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবো। আমি যদি নির্বাচিত হই তবে সকল দলের নেতাদের নিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক সমাজব্যবস্থা গঠনের চেষ্টা করবো নিজের সবটুকু মেধা, শ্রম এবং নিষ্ঠা দিয়ে।
আফছার উদ্দিন লিটন : আমাদেরকে আপনার মূল্যবান সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
আলহাজ দিদারুল কবির : আপনাদেরকেও ধন্যবাদ। আমি চট্টলার ডাক পত্রিকার মাধ্যমে আমার নির্বাচনি এলাকার (সীতাকু-, আকবরশাহ, আংশিক পাহাড়তলী) জনগণকে জানাতে চাই আপনারা ৭ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে আসুন। লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিন।
#সাক্ষাৎকার#সমস্যা#হয়েছিল#বডি#থেকে#উধাও#
আফছার উদ্দিন লিটন: অধ্যক্ষ শামসুদ্দিন আহমেদ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধ...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: লায়ন একে জাহেদ চৌধুরী। চট্টগ্রামের নাজিরহাট পৌরসভার মেয়র। অত্যন্ত বিনয়ী এবং সাংস্কৃতিকবান্ধব এ...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন ও এলেন ভট্টাচার্য অনিক আলহাজ্ব মোতাহোরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পটিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান। চট...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন । সাবেক মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠন...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: প্রকৌশলী বিজয় কুমার চৌধুরী কিষাণ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জামালখান ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ...বিস্তারিত
আফছার উদ্দিন লিটন: এ সমাজে কিছু অমানুষ আছে। এরা চোখ থেকেও অন্ধ। এরা নিজেদেরকে বড় নেতা ও সন্ত্রাসী ভাবে। মানুষের সাথে ...বিস্তারিত
© Copyright 2026 Dainik Chattalar Dak