আজ  সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪


দুদকের জব্দতালিকা কেন গায়েব হয়?

  আফছার উদ্দিন লিটন:   |   আপডেট: ০১:৫৬ পিএম, ২০২৩-১০-০১    666

 

দুদকের জব্দতালিকা কেন গায়েব হয়?

দুর্নীতি। আইনজীবীদের সততাকে সস্তাদামে কিনে রাষ্ট্রপক্ষ কিংবা আসামিপক্ষ। দুর্নীতি আইনজীবীদের সৎ থাকতে দেয় না। তারা বাদি-বিবাদি উভয়পক্ষ থেকে টাকা নিতে একটু বিবেকে বাধা দেয় না। ক্ষেত্রবিশেষ বিচারকের সততাকেও কিনে ফেলে অসাধুচক্ররা। যে কারণে দেশের মানুষ এখন ন্যায়বিচার পায় না?


পাবে কীভাবে? যে দেশে একটি সিভিল মামলা নিষ্পত্তি করতে বিশ থেকে ত্রিশ বছর কিংবা ক্ষেত্রবিশেষ তারও বেশি সময় লাগে। আমার কাছে ক্ষমতা থাকলে আগে আমি যে কাজটি করতাম, তা হলো পুলিশ, আইনজীবী ও আদালতের কর্মকর্তাদের নৈতিক শিক্ষার প্রশিক্ষণ দিতাম। ওই প্রশিক্ষণে থাকতো ঘুষ না খেয়ে কিভাবে সাধারণ মানুষকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেয়া যায়।

২০২৩ সালের ১১ জুলাই। সেদিন ছিল মঙ্গলবার। সেদিন বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে বিশেষ মামলা (৩৩/২২) এর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল আউয়াল সেদিন সকাল ১০টার সময় বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য উপস্থিত হোন। তিনি ওইসময় আমাকে পেশকার মুছা ভাইয়ের কাছে পাঠিয়েছেন এ মামলার জব্দতালিকা কোথায় তা জানার জন্য। পেশকার মুছা ভাই আমাকে জানালেন-- “মামলার জব্দতালিকা কোথায় তা তো আমার থেকেই তিনি বেশি জানবেন! দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা আউয়াল সাহেব বলেন, “আমি যখন লেখক ও সাংবাদিক আফছার উদ্দিন লিটনের অভিযোগটি দ্বিতীয়বার পুন:তদন্ত করে খুলশী ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর মামলা করি--এর এক মাস পর আমি অবসরে চলে যায়। তবে অবসরে যাওয়ার সময় এ মামলার তৃতীয় তদন্ত কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদকে সমস্ত জব্দতালিকা বুঝিয়ে দিই। এরপর  মো. জাফর আহমেদ আদালতে মামলা চলাকালীন আরও দেড় বছর তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিট দাখিল করার পর তিনি এমেরিকায় চলে যান। ওইসময় মামলার জব্দতালিকা তিনি কাকে বুঝিয়ে দেন কিংবা কেন বুঝিয়ে দেননি তা রহস্যয় থেকে গেল”। আমি এখন চিন্তায় আছি মামলার কেইস ডায়েরি (সিডি) কোথায় রয়েছে! কার কাছে রয়েছে--তা খুঁজে বের করতে হবে।


২০২২ সালের ৯ নভেম্বর (বুধবার) চার্জগঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক উভয়পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন। আসামিরা তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে এ মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ডিসচার্জের আবেদন করলেও তা খারিজ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন বিচারক।

আসামিরা হলেন-চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এম সাদেক হোসেন, হালিশহর নতুনপাড়া এলাকার মো. জানে আলম, হালিশহর এল ব্লকের বাসিন্দা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ক্রেনচালক মো. আজম খান এবং চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নের অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শৈলেন চাকমা।

আগামী তারিখ ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য আছে। এর আগে ২৯ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য প্রথমদিন ধার্য ছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো-তারা চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে^ ফিরোজশাহ হাউজিং এস্টেটের অধীনে ৯, ১০, ১১ নম্বর প্লট পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়। এ ধরনের অভিযোগের অপরাধের মাধ্যমে আত্মসাতকৃত টাকার পরিমাণ তের লাখ বাইশ হাজার পাঁচশত টাকা উল্লেখ রয়েছে মামলার অভিযোগপত্রে।

আসামি এম সাদেক হোসেন, শৈলেন চাকমা ১৯৯৯ সালের ৩ আগস্ট থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নে কর্মরত থাকা অবস্থায় আসামি মো. জানে আলম, মো. আজম খান, বহদ্দারহাট খাজা রোড এলাকার আলহাজ নাজিম উদ্দিন এবং নতুন মনছুরাবাদ এলাকার দুর্নীতিবাজ ভূমিদস্যু আবুল কালাম আবু সহ অন্যান্য আসামিদের পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১০৯ ধারা এবং তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ দুই নম্বর আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

শুধু কি তাই? আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসামিদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি-অনিয়ম ও জাল-জালিয়াতি প্রমাণ হওয়ায় ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ দুদকের তৃতীয় তদন্ত কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে এ জাল-জালিয়াতি মামলার মূল মাস্টারমাইন্ড আলহাজ নাজিম উদ্দিন, আবুল কালাম আবু, খাজা আবদুল কাইয়ুম, রাজু আহমেদ, আলমগীর হোসেন মোল্লা, মিথা বেলি এবং ওই সময়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে মামলার এজাহার এবং চার্জশিটে উল্লেখ করেনি দুদক। আসামিরা চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়ন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া আবেদনকারী সাজিয়ে ভুয়া লিজ দলিল, ভুয়া রূপান্তরপত্র, ভুয়া হস্তান্তরপত্র, ভুয়া চুক্তিনামা ও ভুয়া পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সৃজন করে নিজেরাই সিল-ছাপ্পর মেরে স্বাক্ষর জাল করে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করে উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন।


২০২২ সালের ৯ নভেম্বর (বুধবার)। সেদিন চার্জগঠন শেষে চট্টলার ডাক অনলাইন পত্রিকায় এ নিয়ে প্রতিবেদন করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী’র সাক্ষাৎকার নিই। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আসামিরা চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়ন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অস্তিত্বহীন কাল্পনিক লুৎফুন নাহার, মিন আরা বেগম ও মুরাদ খানের নামে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া আবেদনকারী সাজিয়ে বরাদ্দপত্র লাভ করে।
পরবর্তীতে চট্টগ্রাম জাতীয় গৃহায়নের কর্মকর্তা এম সাদেক হোসেন, শৈলেন চাকমার যোগসাজশে আসামি মো. জানে আলম, মো. আজম খান এবং আলহাজ নাজিম উদ্দিন ভুয়া লিজ দলিল, ভুয়া রূপান্তরপত্র, ভুয়া হস্তান্তরপত্র, ভুয়া পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সৃজনের মাধ্যমে ভুয়া সিল-ছাপ্পর, স্বাক্ষর করে নিজেরাই সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন।

এ মামলার পরবর্তী স্টেপ কী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে  দুদকের পিপি বলেন, আগামী তারিখ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য আছে। এ মামলার মূল অভিযোগকারী ও সংবাদদাতা মো. আফছার উদ্দিন লিটন ও দুদকের আরও দুই তদন্ত কর্মকর্তাসহ অন্যান্যদের প্রতি আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সমন জারি করা হবে। ২০২৩ সালের ১১ জুলাই মঙ্গলবার। এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল আউয়াল মামলার সিডি না পাওয়ায় আংশিক সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

আসামি মো. আজম খান চট্টগ্রাম বন্দরে সরকারি চাকরি করে সরকারি প্লট জাল-জালিয়াতি করে কীভাবে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আমার আইনজীবী চৌধুরী মো. সাইফুল ইসলাম আজাদ বলেনÑ“আসামি চট্টগ্রাম বন্দরে সরকারি চাকরি করেও সকল ভুয়া দলিলে নিজের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন করেছেন। যা দুদক আইনে গুরুতর অপরাধ। দুদক চাইলে এ নিয়ে আরও একটি মামলা করতে পারে। আসামিরা চট্টগ্রাম শহরের চিহ্ণিত জাল বরাদ্দপত্র ও জাল দলিল চক্রের সদস্য। জাল-জালিয়াতি করাই তাদের কাজ। আমি আশা করছি আদালত এ বিষয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।”

এ মামলার চার্জগঠন হতে এতো সময় লাগলো কেন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আসামিরা তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে চল-চাতুরি করে অনেক কৌশল করেও বাঁচার চেষ্টা করেছিল কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। আসামিরা ভেবেছিল এ মামলা থেকে তারা অব্যাহতি পাবেনÑসে আশায় তারা বসেছিল। দুদকের আইনে আসামিদের অব্যাহতি পাওয়ার তেমন একটা সুযোগ নেই। যদি অব্যাহতি পেতো প্রশ্নবিদ্ধ হতো দুদক। প্রশ্নবিদ্ধ হতো আদালত। প্রশ্নবিদ্ধ হতো দুদকের চার্জশিট, তদন্তরিপোর্ট ও মামলার এজাহার।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালত জব্দতালিকা বুঝে পাওয়ার আগে নথিগুলো যায় কোথায়? প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ এ বিষয়ে আমার চেয়ে দুদকের কোর্ট পরিদর্শক, দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের পিপি ভালো বলতে পারবে!”

দুদকের সাবেক কোর্ট পরিদর্শক নিশি কুমার চাকমা বলেন, আমি অবসরে যাওযার সময় আমার কাছে থাকা সকল জব্দতালিকার নথিপত্র বর্তমান কোর্ট পরিদর্শক শফিকুল ইসলামকে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি। যদি না দিতাম তাহলে এককালীন পেনশনের ষাট লাখ টাকা কিভাবে পেলাম? যদি জব্দতালিকা বুঝিয়ে না দিতাম তাহলে দুদক আমাকে ছাড়পত্র দিত না। কারণ, দুদকের আইন এবং সরকারি আইন অনুযায়ী অবসরে যাওয়া কর্মকর্তার কাছে থাকা নথিগুলো বর্তমান কোর্ট পরিদর্শককে বুঝিয়ে দিতে হবে। আর আমি বুঝিয়ে দেয়ার কারণে দুদক আমাকে ছাড়পত্র দিয়েছে এবং অবসর গ্রহণের যাবতীয় টাকা পেয়েছি।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর কোর্ট পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামকে বিশেষ মামলা ৩৩/২২ প্রসঙ্গে সেদিন বিজ্ঞ বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ পেশকারের মাধ্যমে বারবার ডাকলে তিনি হাজির হননি। অথচ আদালতে সেদিন সকাল দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত তাকে দেখা গিয়েছিল। বিকাল পাঁচটার সময় তাকে আমি বলি আজ সাক্ষ্যগ্রহণের সময় তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেয়ার জন্য হাজির। অথচ আপনারা আদালতে কেইস ডায়েরি(সিডি) জব্দতালিকা যাই বলি না কেন হাজির করতে পারেননি? আদালতে আসার আগে কেইস ডায়েরি (সিডি) গায়েব হয়ে যায়! তখন কোর্ট পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম আমাকে বলেÑআমি এ মামলার জব্দতালিকা কোথায় জানি না। শুধু আপনার বিশেষ মামলা ৩৩/২২-এর সিডি নয়; আরও ২৯টি মামলার নথির তালিকা দেন দুদকের পিপি এডভোকেট মুজিবুর রহমান। এ ২৯টি মামলার সিডি নেই। তবে তালিকায় এক নম্বরে আছে আপনারটি। এখন খুঁজতে হবে।

২০২৩ সালের ১১ জুলাই। সেদিন আমি একটি অনলাইন পত্রিকায় বিশেষ মামলা ৩৩/২২ সাক্ষ্যগ্রহণ প্রসঙ্গে দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামের বক্তব্য নিই। সেদিন তিনি বলেন-“ বিশেষ মামলা ৩৩/২২ যার উদ্ভব হয়েছে খুলশী থানার মামলা নং-৩০(১১)১৭-এর মাধ্যমে। এ মামলাটি দুদকের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলা করেছেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল আউয়াল। তিনি অবসরে গেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাফর আহমেদ ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই সময় কোট পরিদর্শক ছিলেন নিশি কুমার চাকমা। তিনি জাফর আহমেদ থেকে মামলার জব্দতালিকা বুঝে নিয়েছেন।”

একইদিন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মুছার বক্তব্য নিই। তিনি বলেন-“কেইস ডায়েরি(সিডি) দুদকের পিপি এডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং আদালতে দুদকের দায়িত্বে থাকা কোর্ট পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম জানে; তারাই খুঁজে বের করবে এ মামলার জব্দতালিকার আলামত কোথায়? দুদকের আইও যখন আদালতে সাক্ষী দিতে আসবে তখন জব্দতালিকা হাজির করতে হয়।

সেদিন দুদকের পিপি এডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং পিপি সানোয়ার হোসেন লাভলু বলেছিলেন-“এ মামলার নথি কোথায় আমরা এখনো জানি না!”

আমার প্রশ্ন হলো তাহলে জানা কারা? এ মামলার নথি গায়েব হতে কতো টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে? সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালত জব্দতালিকা বুঝে পাওয়ার আগে নথিগুলো যায় কোথায়?

কেইস ডায়েরি(সিডি) কিংবা আদালত থেকে নথি গায়েব হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় না। এটা একটা ষড়যন্ত্র। এর সাথে আসামিপক্ষ এবং তার আইনজীবীরা জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেশি। দুদকের লোকজনও জড়িত। দুদকের কোর্ট পরিদর্শক, আই.ও কিংবা পিপিÑএরা কেউ সাধু নয়। যতক্ষণ বাদি এবং সংবাদদাতা ন্যায়বিচার পাবে না ততক্ষণ তাদেরকে সাধু ভাবার সুযোগ নেই। কারণ আদালত থেকে কিংবা আদালতে দুদকের রেকর্ডরুম থেকে মামলার কেইস ডায়েরি (সিডি) হারানো মানে রাষ্ট্রপক্ষ দুদক কিংবা সংবাদদাতা মূল অভিযোগকারী আফছার উদ্দিন লিটনের মামলার ক্ষতি করা এবং দীর্ঘায়িত করার জন্য এসব নাটক। আর এ নাটকের কুশীলব দুদকের মামলার অভিযুক্ত আসামি এবং আদালতে থাকা দুদকের লোকজন ও তদন্ত কর্মকর্তা।

-লেখক, সংগঠক ও সংবাদকর্মী

 

 

রিলেটেড নিউজ

নারীর জাগরণে অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা

বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে পিতা জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার, মাতা প্রতিভা ওয়া�...বিস্তারিত


স্বপ্ন ও সম্ভাবনাময় স্বর্ণযুগের দ্বার উন্মোচন ‘‘বঙ্গবন্ধু টানেল’’

বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ পদ্মা সেতুর পর দেশের আরেকটি বড় অর্জন দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম টানেল ‘‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহ�...বিস্তারিত


দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা স্বাক্ষ্য প্রদানে ব্যর্থ হচ্ছেন কেন?

আফছার উদ্দিন লিটন: দুদক! সরকারি এক রহস্যময় সংস্থা! যাদের দুর্নীতির খবর প্রায়শ বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন মিডিয়া ও ইলেকট্...বিস্তারিত


লোভী ও অসৎ উকিলদের কাছ থেকে মুক্তি পাবেন কীভাবে?

চট্টলার ডাক ডেস্ক: লোভী ও অসৎ উকিলের অসদাচরণের শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন লাখো অসহায় মানুষ রয়েছেন,  এ লেখাটি ত...বিস্তারিত


রসুনের গুণ ভালো করে জানুন

আলমগীর আলম রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; এই রসুনে রয়েছে থিয়ামিন (ভিটামিন বি১), রিবোফ...বিস্তারিত


কাজানের কুল শরীফ মসজিদে দুই ওয়াক্ত নামাজ হয়

রফিকুল হায়দার ফরহাদ রাশিয়ার সর্ববৃহৎ নদী ভলগা। একই সাথে পুরো ইউরোপেরও। ৩ হাজার ৫৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী ছুঁয়ে গেছে �...বিস্তারিত