আজ  বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


ইগো নিয়ে চলা ব্যক্তিরাই মানসিক সমস্যায় ভোগেন

  আফছার উদ্দিন লিটন:   |   আপডেট: ০১:৫৯ এএম, ২০২২-১২-৩১    1295

 

ইগো নিয়ে চলা ব্যক্তিরাই মানসিক সমস্যায় ভোগেন

এ সমাজে কিছু অমানুষ আছে। এরা চোখ থেকেও অন্ধ। এরা নিজেদেরকে বড় নেতা ও সন্ত্রাসী ভাবে। মানুষের সাথে অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুম করতে তাদের ভালো লাগে। এ ধরনের অমানুষ--অসহায় মানুষের সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে গায়ে পড়ে ঝগড়া করে। এরা মানুষের সাথে অন্যায় করলে সরি বলে না। তাদের ধারণা, তারা সঠিকপথে আছে। সরি কিন্তু তারা ভুক্তভোগীর সামনে না বললেও জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী ও পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে ঠিকই বলে। বিচারকের কাছে তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য হাতজোড় করে ক্ষমা চাই--যাতে বিচারক তাদের অপরাধ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু বিচারক তাদেরকে ক্ষমা করেন না। আর তখন তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। ছোটো হয়। অর্থ অপচয় হয়। সবই হয়। তবুও তাদের মানসিকতা পরিবর্তন হয়না। এটা তাদের ইগো সমস্যা। অথচ, ভুক্তভোগীর কাছে তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলে-সরি বললে ক্ষমা পেতে পারতো।

যারা সত্যিকার মানুষ তারা কোনো অজান্তে ভুল করে অপরাধ করলে এর জন্য তারা মানুষের কাছে ক্ষমা চাই। অনুশোচনা করে। পক্ষান্তরে যারা খারাপ মানুষ এরা শত অন্যায়, অত্যাচার করলেও মানুষের কাছে ক্ষমা চায়না। এটা তাদের ইগো সমস্যা। ইগো সমস্যা তাদেরকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে যথেষ্ট নৈতিক ও প্রকৃতশিক্ষার ঘাটতি রয়েছে। যে কারণে আজ সমাজের নৈতিক অধঃপতন হচ্ছে। তাই এমন ইগো থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। আমি বড়--আমি অপরাধ করেও ছোটো ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চাইবো কেন? এমন মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে।

আবার কিছু ভদ্রবেশী মুখোশধারী মানুষও আছে। তারা ভালো মানুষের রূপ ধরে চলে। সমাজে ভালো মানুষ সাজে। হজ করে হাজি-আলহাজ নাম ভাঙ্গিয়ে গরিবের হক মেরে খাচ্ছে! গরিবের জায়গা-জমি আত্মসাৎ করছে। খাদ্যে ভেজাল করছে। খাদ্য মজুদ করছে। এরা পাহাড়ের জায়গা দখল করছে। আবাদি জমি ভরাট করে স্টিল রোলিং মিলস্ গড়ে তুলেছে। সেখানে আবার সরকারের বৈধ-অবৈধ গ্যাসের অপচয় হচ্ছে। এরা আবার সহজ-সরল মানুষদের নিয়ে মাইজভাণ্ডারি ব্যবসা করে আসছে। এম আলম সাধারণ মানুষদের মাঝে বিবাধ সৃষ্টি করে তাদেরকে দরবারে যেতে বলে। তার দরবারে গেলে নাকি সমাজের যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ভান্ডারি মুক্তি দেন।
অজ্ঞতা, মূর্খতা তাদেরকে পশু বানালেও হুশ নেই। তাদের ধারণা তারা এখনো সত্যিকার মানুষ! দুদক কিন্তু তাদেরকে ধরে না। এরা দুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষে। একবার ধরলে তাদের হুশ হয়ে যেতো। বিধাতা সমাজের এমন যন্ত্রণাদায়ক মানুষকে হেদায়েত করো। সাধারণ মানুষকে তাদের ভণ্ডামি থেকে রক্ষা করো। তাদেরকে সত্যিকার মানুষে পরিণত করো।

 --লেখক ও সংবাদকর্মী

 

 

 

 

 

রিলেটেড নিউজ

বউ নিয়ে রাজনীতি 

আফছার উদ্দিন লিটন: আরও কত কিছু দেশে দেখবো। করোনা নিয়ে রাজনীতি। বউ নিয়ে রাজনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে রাজনীতি। সব কিছু খো...বিস্তারিত


তোতন ভাইয়ের সাক্ষাৎকার আসিতেছে...

চট্টলার ডাক ডেস্ক: ...বিস্তারিত


পাথরে কি বৃক্ষ জেগে ওঠে??? 

আফছার উদ্দিন লিটন: নগরীর পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘি জামে মসজিদের সামনে আইল্যান্ডের মাঝখানে দেখা যাচ্ছে চসিকের কিছু পকেট...বিস্তারিত


সমন্বিত ও মেধাভিত্তিক চিন্তা এবং সৃজন প্রকল্পের মাধ্যমে ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড গড়ে তুলতে হবে

চট্টলার ডাক ডেস্ক: আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সেলিম,      সমাজকর্মী রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী । চট্টগ্রামের প্রাচীন ...বিস্তারিত


এ নিষ্ঠুর পৃথিবী কেন রামিসাকে বাঁচতে দিল না?

আফছার উদ্দিন লিটন:  # আর কতো ফুটফুটে নিস্পাপ রামিসার মৃত্যু হলে এ রাষ্ট্র এবং বিচার ব্যবস্থা সংস্কার হবে? ★আর কতো রাম...বিস্তারিত


সীতাকুণ্ডে পিকেএসএফের অর্থায়নে ইপসা-আরএমটিপির উদ্যোক্তা মেলা

চট্টলার ডাক ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের বাজার সংযোগ ও টেকসই প্রদর্শনী ২০২৫ অনু...বিস্তারিত